১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে চোখ সনের

উত্তর আমেরিকা আসরে ২০০২ বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তির আশায় দক্ষিণ কোরিয়া অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে চোখ সনের
দক্ষিণ কোরিয়া অধিনায়ক সন হিউং-মিন। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 May 2026, 06:46 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:42 PM

ইতোমধ্যে তিনটি বিশ্বকাপে খেলেছেন সন হিউং-মিন। ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপে নামার আগে একটি স্বপ্নের কথা জানালেন দক্ষিণ কোরিয়া অধিনায়ক। দলকে সেমি-ফাইনালে তোলার লক্ষ্য এই তারকা ফরোয়ার্ডের। 

২০১৪ সালের ব্রাজিল আসর দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হয় সনের। সেই আসরে দক্ষিণ কোরিয়ার ২৩ জনের চূড়ান্ত দলে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে শুধু দুই জন আছেন উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠেয় এবারের আসরের ২৬ জনের দলে। তাদের একজন সন।

দেশের মাঠে অনুষ্ঠিত ২০০২ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে খেলেছিল দক্ষিণ কোরিয়া। বিশ্ব মঞ্চে এটাই তাদের সেরা সাফল্য। সেবার দলটিকে নেতৃত্ব দেওয়া হং মিয়ং-বো এখন তাদের প্রধান কোচ। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সন বললেন, হংয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চান তিনি। 

“আমাদের কোচ অবিশ্বাস্য কিছু অর্জন করেছেন এবং ২০০২ বিশ্বকাপ দলের অধিনায়ক হিসেবে সব খেলোয়াড়কে নেতৃত্ব দিয়ে এক চমৎকার যাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আমার সতীর্থদের সঙ্গে এমন একটি যাত্রা করতে চাই আমি। আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো যুক্তরাষ্ট্রে সেই চমৎকার যাত্রার পুনরাবৃত্তি করা।”

কাজটা যে সহজ হবে না, ভালো করেই জানেন সন। এজন্য ফুটবলার থেকে শুরু করে সমর্থক, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানালেন ৩৩ বছর বয়সী তারকা।

“আমি মনে করি না এটা শুধু দলের একার পক্ষে করা সম্ভব। সবাইকে সত্যিকার অর্থে এক হয়ে কাজ করতে হবে। কোরিয়ান মানুষের কথাগুলো খেলোয়াড়দের দারুণ শক্তি জোগায়। ওইরকম বড় সাফল্য অর্জন করতে হলে, প্রত্যেককে হৃদয়ে ও মনে একতাবদ্ধ থাকতে হবে। এটা আমার শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে। চমৎকার একটি যাত্রার আশা করছি।”

“ভক্তদের বলতে চাই এবং অনুরোধও করতে চাই: তারা যদি আমাদের মনেপ্রাণে সমর্থন করে যায় এবং উৎসাহ দিয়ে সবসময় আমাদের পাশে থাকে, তাহলে আমি খেলোয়াড়দের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেব এবং আমরা নির্ভয়ে বিশ্বকাপের মুখোমুখি হব।”

আগামী ১১ জুন চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান। ‘এ’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।