আরও বেশি গোল চাই বাংলাদেশ কোচের
জয়ে শুরু পেলেও ব্যবধান আরও বেশি না হওয়ায় কিছুটা হতাশ গোলাম রব্বানী ছোটন।
শুরুতেই সুযোগ নষ্ট করেছেন শিউলি আজিম। পরে হেলায় দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেছেন কৃষ্ণা রানী সরকার। জোড়া গোল করলেও সেই একই কারণে সাবিনা খাতুনের হ্যাটট্রিকের আনন্দে ডানা মেলা হয়নি। মালদ্বীপকে হারিয়ে মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শুভসূচনা পেলেও নষ্ট হওয়া সুযোগ নিয়ে কিছুটা হতাশা আছে বাংলাদেশ কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের।
নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে বুধবার মালদ্বীপকে ৩-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই তিন গোল তুলে নেয় দল। তবে এই তিন গোলের আগে-পরে একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন সাবিনা-কৃষ্ণারা।
তৃতীয় মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে শিউলি গোলরক্ষক বরাবর শট নেন। ৩১তম মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি কৃষ্ণা। ৬১তম মিনিটে পোস্টের বাইরে শট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ হারান সাবিনা।
ছোটনও অনুভব করছেন ফিনিশিং নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন। তবে আগের চেয়ে কৌশলগত দিক থেকে শিষ্যদের অনেক উন্নতি হয়েছে বলেও মনে করেন বাংলাদেশ কোচ।
“প্রথমার্ধের চেয়ে মেয়েরা দ্বিতীয়ার্ধে তাদের এফোর্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল, এবং সুযোগও তৈরি হয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গোল হয়নি। আমি মনে করি, আমাদের এই জায়গাটায় আরও মনোযোগ দিতে হবে, পরের ম্যাচগুলোতে যেন আরও স্কোরিংয়ে উন্নতি করতে পারি।”
“খুশির জায়গা হচ্ছে…আমাদের মেয়েরা কঠোর অনুশীলনের মধ্যে আছে। বারবার যেটা বলি, তাদের ফিজিক্যাল ফিটনেস ভালো অবস্থায় আছে। সেটা আজকেও ওরা প্রমাণ করেছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারা একই ছন্দে ফুটবল খেলেছে। অন্য সময়ের চেয়ে বর্তমান দলে এটা পরিবর্তনের জায়গা। আপনারাও মাঠে বসে দেখেছেন টেকনিক্যালি এবং ট্যাকটিক্যালি তারা আগের চেয়ে উন্নতি করেছে।”
মেয়েদের উন্নতির তাগিদ দিলেও প্রত্যাশিত জয়ে সাফ মিশন শুরু করার সন্তুষ্টিও ঝরল বাংলাদেশ কোচের কণ্ঠে।
“মেয়েরা খুবই ভালো খেলেছে। প্রথম মিনিট থেকে ৯০ মিনিট পর্যন্ত মেয়েরা পরিকল্পনা অনুযায়ী, একই নিবেদন নিয়ে খেলেছে।”
