বার্সেলোনার ওপর চাপ ধরে রাখতে পারায় খুশি রিয়াল
এক গোলের জয়ে দুটি লক্ষ্য পূরণ হওয়ার কথা বললেন কারভাহাল, কোচ আনচেলত্তির প্রতিক্রিয়া যদিও মিশ্র।
ম্যাচের শুরুতেই একটি গোল। এরপর আর কোনো গোলের দেখা নেই। সুযোগ বেশ কিছু এলেও কাজে লাগাতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। কোনোরকমে পাওয়া এই জয় সন্তুষ্ট করতে পারেনি কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। তবে ডিফেন্ডার দানি কারভাহাল স্বস্তি পাচ্ছেন দুটি কারণে, কোনো গোল হজম করেনি দল এবং ম্যাচ জিতে চাপে রাখা গেছে বার্সেলোনাকে।
লা লিগায় শনিবার গেতাফের মাঠে ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতে আপাতত পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠে রিয়াল মাদ্রিদ। খেলার তিন মিনিটেই গোল করেন এদের মিলিতাও। সেটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে থাকে ম্যাচের নির্ণায়ক। দ্বিতীয়ার্ধে রদ্রিগো একবার জালে বল পাঠাতে পারলেও গোল হয়নি অফসাইডের কারণে।
ম্যাচের আগে রিয়ালের সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার শীর্ষে ছিল বার্সেলোনা। এখন শাভি এরনান্দেসের দলের সামনে চ্যালেঞ্জ, রোববার নিজেদের ম্যাচ জিতে আবার শীর্ষে ফেরার।
লা লিগায় আগের ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর পর এই জয় রিয়ালের জন্য কিছুটা স্বস্তির বটে। তবে ১-০ গোলের জয় তাদের মতো দলের জন্য আদর্শ নয় মোটেও। ম্যাচ শেষে তবু মুভিস্টার প্লাসকে কারভাহাল বললেন, এক গোলের জয়ে তাদের দুটি চাওয়া পূরণ হয়েছে।
“আমাদের আজকে মূল লক্ষ্য ছিল ম্যাচটি জেতা এবং বার্সেলোনাকে চাপে রাখা।”
“গোল তো আমরা সবসময় করতে চাই। তবে আজকের ভালো ব্যাপার ছিল রক্ষণে আমাদের প্রচেষ্টা। গোল হজম না করা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটিই আমাদেরকে জয়ে ফেরার লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করেছে।”
লিগে এবার আগের সাত ম্যাচের সবকটিতেই গোল হজম করেছিল রিয়াল। শেষপর্যন্ত একটি ম্যাচে জালে বল না ঢুকতে দেওয়া স্বস্তির ব্যাপার বটে। কোচ আনচেলত্তির কণ্ঠেও সেই তৃপ্তির ছোঁয়া।
“গোল হজম না করার ব্যাপারটি খুবই জরুরি। গত মৌসুমে আমরা এত সাফল্য পেয়েছিলাম, কারণ রক্ষণে আমরা খুব ভালো করেছিলাম। আজকেও ভালো করেছি।”
তবে কোচকে তো স্রেফ একটি দিক নিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুললেই চলে না। আনচেলত্তি ঘাটতির জায়গাটুকুও তুলে ধরলেন।
“আমার মনে হয়, শুরু থেকেই আমরা খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি এবং দ্বিতীয় গোলটি করার খুব কাছাকাছিও যেতে পেরেছি। কিন্তু গোলমুখে আমরা যথেষ্ট ভালো ছিলাম না, বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়া করেছি। আরও বেশি গোল করতে পারতাম আমরা, অনেক সুযোগ এসেছিল।
