উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
Published : 29 May 2026, 03:00 PM
ভারতের বিপক্ষে ১১টি এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে চারটি- দুই ম্যাচে ১৫ গোল খেয়ে উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে ছিটকে পড়ার পর, মালদ্বীপের কোচ সাবাহ মোহামেদ ইব্রাহিম স্বাভাবিকভাবেই হতাশ। তবে, নানা প্রতিকূলতার স্রোত পেরিয়ে লড়ে যাওয়া মেয়েদের নিয়ে গর্বিতও তিনি।
দ্বীপ দেশটিতে মেয়েদের জন্য নেই কোনো লিগ। সাবাহ নিজেও বয়সভিত্তিক দল থেকে মাস খানেক আগে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় দলের। এই অল্প সময়ে দলকে গুছিয়ে নিতে পারেননি তিনি।
শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে ১১-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর, জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সাফের শিরোপাধারী বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪-২ গোলে অনুমিতভাবেই ধরাশায়ী হয় তার দল। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে বিষন্ন মুখে তিনি তুলে ধরলেন মারিয়াম-আমিনাথদের কঠিন বাস্তবতা।
“শুধু বলতে চাই, আমি আমার মেয়েদের জন্য গর্বিত। তারা মাঠে তাদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছে। আমার কোচিংয়ে প্রস্তুতির কথা বললে, দলটি আমার সাথে মাত্র ২৮ দিন আছে। কারণ আমি অনূর্ধ্ব-১৭ দলের প্রধান কোচ। কিন্তু হঠাৎ করেই ফুটবল ফেডারেশন জানায়, নারী জাতীয় দলের জন্য তাদের আমার সাহায্যের প্রয়োজন।”
“আমি আগেও উল্লেখ করেছি, ভারত ও বাংলাদেশের তুলনায় আমরা অতটা পেশাদার নই। আমাদের কোনো পেশাদার লিগও নেই। মেয়েরা মূলত ফুটসাল থেকে আসে। যখন কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়, আমরা কেবল আসি এবং অংশগ্রহণ করি। তবে, আমি আমার মেয়েদের জন্য সত্যিই গর্বিত এবং আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন যে আমাদের আরও সময় প্রয়োজন।”
নিজ দেশের ফুটবল ফেডারেশনকেও কাঠগড়ায় তুললেন সাবাহ।
“ফেডারেশনের পরিকল্পনা কী, তা আমি জানি না। হতে পারে, তারা আমাকে আরও সময় দেবে, আরও প্রস্তুতির সুযোগ দেবে, কারণ আমাদের আরও প্রীতি ম্যাচ এবং প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা প্রয়োজন। কারণ প্রীতি ম্যাচে আমরা ভুল করতে পারি এবং সেই ভুল থেকে শিখতে পারি।”
“আমি দেখছি, মেয়েদের এই দলটি বেশ সুশৃঙ্খল এবং বেশিরভাগ সময় তারা খুব সংঘবদ্ধ হয়ে খেলেছে। বাংলাদেশ ম্যাচের আগে আমি শুধু তাদের বলেছিলাম, মাঠে গিয়ে নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দাও, কারণ আমি কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি দেখতে চাই না। তারা সেটাই করেছে এবং আমি মেয়েদের জন্য অত্যন্ত গর্বিত।”