১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘গোল করার ক্ষেত্রে রোনালদোর মতো কেউ নেই’

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ড্রয়ের পর, তৈরি হওয়া নানা বিতর্ক নিয়েও কথা বললেন পর্তুগালের তরুণ ফরোয়ার্ড ফ্রান্সিসকো কনসেইকাও।

‘গোল করার ক্ষেত্রে রোনালদোর মতো কেউ নেই’
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে ফ্রান্সিসকো কনসেইকাও (বাঁয়ে)। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Jun 2026, 08:28 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:27 PM

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে বিবর্ণ শুরুর পর ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও পুরো পর্তুগাল দল পড়েছে তোপের মুখে। দলের সেরা তারকাকে সতীর্থরা বলের যোগান দিচ্ছেন না, উঠছে এমন অভিযোগও। কেউ বা বলছেন, ৪১ বছর বয়সী রোনালদোর ধার নেই আর আগের মতো। 

উজবেকিস্তান ম্যাচ সামনে রেখে, এমন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন ফ্রান্সিসকো কনসেইকাও। ২৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড রোনালদোকে প্রশংসায় ভাসালেন। তুলে ধরলেন নানা বাস্তবতাও। সেখানে, নির্দিষ্ট কারো ওপর নির্ভরতার চেয়ে, দলীয় প্রচেষ্টার গুরুত্বের কথা এলো ঘুরেফিরে। 

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ ড্র দিয়ে শুরু করা পর্তুগাল হিউস্টনে গ্রুপে পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে উজবেকিস্তানের। বাংলাদেশ সময়, মঙ্গলবার রাত ১১টায় শুরু হবে ম্যাচটি। নকআউট পর্বের আশা জোরাল করতে, জয় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ পর্তুগালের জন্য।

প্রথম ম্যাচে আক্রমণভাগে ধারাল ছিলেন না দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো। ম্যাচ জুড়েই ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। কখনও কখনও বলের যোগান না পাওয়ায়, তাকে হতাশাও প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও চলছে তুমুল আলোচনা। এ নিয়ে ওঠা প্রশ্নে কানসেইকা বললেন, তার পায়ে বল থাকলে, ভালো পজিশনে যে থাকবে, তাকেই পাস দিবেন।

“আমি মনে করি… গোল করার ক্ষেত্রে ক্রিস্তিয়ানোর মতো আর কেউ নেই। আমরা সেই বাধ্যবাধকতা বা প্রয়োজন অনুভব করি না; যে তুলনামূলক ভালো পজিশনে থাকবে, আমি তাকেই বল দিব। ক্রিস্তিয়ানো দলে আছে অন্য সব খেলোয়াড়ের মতোই, দলকে সাহায্য করার জন্য।”

২০০২ সালের ১৪ অগাস্টে স্পোর্তিং লিসবনের ম্যাচ দিয়ে পেশাদার ফুটবল শুরু রোনালদোর। এ নিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন তিনি। ওই বছরের ডিসেম্বরে জন্ম কানসেইকাওয়ের। পূর্বসূরিদের কাছ থেকে নিজেদের প্রজন্ম অনুপ্রেরণা নিলেও, কানসেইকাও বললেন, সাফল্য পেতে দলীয় প্রচেষ্টা প্রয়োজন তাদের।

“তিনি এক দৃষ্টান্ত। ক্যারিয়ার জুড়ে, প্রতিটি দিনই তিনি সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত। প্রতিটি অনুশীলন সেশনে তিনি দারুণ অনুপ্রাণিত, এমনভাবে অনুশীলন করেন যেন, এটাই তার শেষ ট্রেনিং সেশন।”

“যদি তিনি এত কিছু অর্জনের পরও, সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত থাকতে পারেন, তাহলে আমাদের আরও বেশি ক্ষুধার্ত হওয়া উচিত। দলকে সাহায্য করার জন্য এখানে অন্য সবার মতোই একজন তিনি; দলীয় কাজগুলো ঠিকঠাক সম্পন্ন করতে আমাদের সবাইকে প্রয়োজন।”