বরিশালে কলেজছাত্র ও অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে তারা নিখোঁজ ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
বরিশাল সদর উপজেলায় কলেজছাত্র ও অটোরিকশা চালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন কলেজের আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীর এবং উপজেলার একটি মাছের ঘের থেকে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত মাইনুল ইসলাম (২৩) ব্রজমোহন কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ফ্লাইট সার্জেন্ট ফজলুল হক (মুসলিম) হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। তিনি হিজলা উপজেলার বাউশিয়া এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।
অপরজন হলেন ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার আব্দুল হাকীমের ছেলে মো. হাসান (২২)। তিনি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া কালাখাঁ বাড়ি এলাকার বাসা ভাড়া নিয়ে অটোরিকশা চালাতেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে তারা নিখোঁজ ছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
ব্রজমোহন কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম কিবরিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মুসলিম হলের পরিত্যক্ত ১৪১ নম্বর কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে গিয়ে একজনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখেন অন্য শিক্ষার্থীরা। মরদেহটি মাইনুল ইসলামের বলে শনাক্ত করে তার সহপাঠীরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে মাইনুল নিখোঁজ ছিলেন; তিনি ওই হলেন ১৩৪ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী বলে জানান অধ্যক্ষ।
কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) বিপ্লব কুমার মিস্ত্রি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।
এ দিকে মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি আসাদুজ্জামান আসাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, উপজেলার চরকাউয়ায় চরআইচার একটি মাছের ঘেরে হাসানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর পেয়ে স্থানীয়রা। মরদেহে পচন ধরেছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন হাসান। অটোরিকশা ছিনতাইয়ের সময় তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।
এ ঘটনায় শনিবার সকালে হাসানের পরিবারের পক্ষ থেকে কাউনিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয় বলে জানান ওসি আসাদুজ্জামান।
