০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শরীরে বিদ্যুতের তার পেঁচানো মোস্তাফিজুর রহমানের মরদেহ ক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।
শিশুটি সোমবার বিকাল থেকে নিখোঁজ ছিল।
মানববন্ধন থেকে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করা হয় এবং জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।
তার মা নীলিমা বৈরাগী বলেন, শেষবার কথা বলার সময় তার ছেলের কণ্ঠ অপরিচিত মনে হয়েছিল।
ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, লাশটি ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। তবে লাশের পাশেই রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল।
“শুনেছি দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।”
সোহাগ বুধবার বিকালে ছেলে লাবিবকে নিজের বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে নানাবাড়ি থেকে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় রাস্তায় তার লাশ পায় স্থানীয়রা।
শুক্রবার সকালে সোহেল ইটভাটায় কাজে যাননি। বিকালে কয়েকজন লোক তাকে জোরপূর্বক ইটভাটায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।