মোবাইল না পেয়ে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় শিশু
“পুলিশের পরামর্শে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছেলেটির কথা হয়। পরে তাকে তাদের সঙ্গে বাড়িতে পাঠানো হয়।”
মোবাইল ফোন চেয়েছিল ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। বাবা-মা ফোন দিতে রাজি না হওয়ায় পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্য হয় তার।
এক পর্যায়ে অভিমান করে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে ‘মারধরের’ অভিযোগ নিয়ে রাতে একাই থানায় হাজির হয় সে।
রোববার রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানায় ওই শিশুকে দেখে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। পরে তার সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন পুলিশ সদস্যরা। এক পর্যায়ে তার বাবা-মাকে থানায় ডেকে আনা হয়।
হাজীগঞ্জ থানার পরিদর্শক জহির হোসেন বলেন, “শিশুটি অভিমান করে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিল। তার সঙ্গে শান্তভাবে কথা বলা হয়েছে। কী কারণে সে থানায় এসেছে, তা জানার চেষ্টা করা হয়েছে।
“পরে বাবা-মার কেও থানায় ডেকে আনা হয়। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং সন্তানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে বলে।”
১১ বছর বয়সী শিশুটি হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মহনপুর গ্রামের সফিকের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিদর্শক জহির হোসেন বলেন, “ছোট একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে যেন শিশুটির মনে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে; সে বিষয়েও তার বাবা-মাকে সতর্ক করা হয়েছে।
“পুলিশের পরামর্শে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছেলেটির কথা হয়। পরে তাকে তাদের সঙ্গে বাড়িতে পাঠানো হয়।”
এ বিষয়ে শিশুটির বাবার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলতে পারেনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
