১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বড় দিন ঘিরে মাদারীপুরে ২ দিনের উৎসব

বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পাড়ায় পাড়ায় বসছে মেলা।

বড় দিন ঘিরে মাদারীপুরে ২ দিনের উৎসব

বড় দিনকে ঘিরে মাদারীপুরের গির্জাগুলি সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

মাদারীপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Dec 2022, 06:08 PM

Updated : 24 Dec 2022, 06:08 PM

সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড় দিনকে ঘিরে মাদারীপুরে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। গির্জাগুলি সাজানো হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জায়। 

রাজৈরের আমগ্রাম ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সহকারী সাধারণ সম্পাদক বাদল রায় বলেন, উৎসব পালনে জেলার ১৫টি গির্জায় দুই দিন ব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত। 

Image

বড় দিনকে ঘিরে মাদারীপুরের গির্জাগুলি সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

এর মধ্যে শনিবার রাত ৯টায় বিভিন্ন চার্চ থেকে পৃথকভাবে বের করা হবে নগর কীর্তন। কীর্তন চলবে সারা রাত। রোববার দিনব্যাপী চলবে আলোচনা সভা, প্রার্থনা, কবিগান, ধর্মীয় সঙ্গীতানুষ্ঠান ও প্রীতি ভোজ। 

যিশু খ্রিস্টের জন্মদিনকে ঘিরে এই উৎসবে জেলার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পাড়ায় পাড়ায় বসছে মেলা। ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে বড়দিনের তারা ঝুলিয়ে নিজেদের ঘর সাজিয়েছেন তারা। 

বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ক্যাথলিক চার্চ, ব্যাপ্টিস্ট চার্চ, এজি  চার্চ, ফেলোশিপ চার্চ, লখন্ডা সেভেন এ্যাডভেন্টিস চার্চ, ফেলোশিপ চার্চ, ক্যাথলিক চার্চ, রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের হিজলবাড়ী ব্যাপ্টিস্ট চার্চ, হিজলবাড়ী ক্যাথলিক চার্চ, কালকিনি উপজেলার ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ব্যাপ্টিস্ট চার্চ, চলবল ব্যাপ্টিস্ট চার্চ, চলবল ক্যাথলিক চার্চ, চলবল এজি চার্চ, চলবল এসডিও চার্চ, শশিকর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ এবং মাদারীপুর সদর উপজেলার থানতলি ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ও চরমুগরিয়া ব্যাপ্টিস্ট চার্চ। 

বিভিন্ন গির্জার সামনে তৈরি করা হয়েছে সুদৃশ্য তোরণ। গির্জার ভেতরে সেজেছে রঙিন কাগজ, বেলুন আর দিয়ে। করা হয়েছে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা। 

এছাড়া প্রয়াত ব্যক্তিদের সমাধিগুলোও বিভিন্ন উপাচার দিয়ে সাজানো হয়েছে। 

Image

বড় দিনকে ঘিরে মাদারীপুরের গির্জাগুলি সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

এদিকে বড়দিনকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। 

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জান ফকির বলেন, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি থানার দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।