অবশেষে ৭০০ পর্যটক নিয়ে বৃহস্পতিবার সেন্ট মার্টিন যাচ্ছে এক জাহাজ
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আ. মান্নান বলেন, “একটা জাহাজ যাবে। তাদেরকে আমরা অনুমোদন দেয়েছি।”
অনিশ্চয়তার মধ্যে অবশেষে বৃহস্পতিবার কক্সবাজার থেকে একটি পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্ট মার্টিন যাচ্ছে। এর মধ্যে দিয়ে এই পর্যটক মৌসুমে প্রথম জাহাজ চলাচল শুরু হবে।
জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালে এমভি বার আউলিয়া সেন্ট মার্টিন যাবে। একটি জাহাজ যাবে। যেহেতু ৭০০ জন, একটি ছাড়ব আমরা।”
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আ. মান্নান বলেন, “হ্যাঁ, তারা কিছু টিকিট বিক্রি করছে। একটা জাহাজ যাবে। তাদেরকে আমরা অনুমোদন দেয়েছি।”
এর আগে বুধবার রাত ৮টার দিকে জেলা প্রশাসনের পর্যটন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার কোনো জাহাজ ছাড়বে না। পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য বৃহস্পতিবার বৈঠক করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
একই সময়ে স্কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুরও জানিয়েছিলেন, জাহাজ চলাচলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনিও জানান, ওই যাত্রীদের নিয়ে এমভি বার আউলিয়া বৃহস্পতিবার চলাচল করবে।
সেন্ট মার্টিন রুটে চলাচলের জন্য এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বার আউলিয়া ও এমভি টেকনাফ- এই তিনটি জাহাজের অনুকূলে সাময়িক ভয়েজ লাইসেন্স দিয়েছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর।
৪ নভেম্বর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জাহাজগুলোর রুট পারমিট ও সময়সূচিও অনুমোদন করে। তিনটি জাহাজের মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন।
অনুমোদিত সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়ার কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট ছাড়ার সময় সকাল সাড়ে ৭টা। সেন্ট মার্টিন থেকে ফেরার সময় দুপুর আড়াইটা।
সেন্ট মার্টিনে পর্যটন মৌসুম ১ নভেম্বর শুরু হয়েছে। চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। এ মৌসুমে দ্বীপে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক যাওয়ার অনুমতি রয়েছে।
পরিবেশ সংরক্ষণের শর্তে পর্যটকদের কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে। দ্বীপে রাত্রিযাপনের সুযোগ থাকবে শুধু ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে।
