বৃষ্টি বেড়েছে, সঙ্গে তুমুল বাতাস
সেন্ট মার্টিনে বাতাস ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ।
বঙ্গোপসাগরের বক্ষের প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রভাগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এর প্রভাবে সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে, সঙ্গে বইছে প্রচণ্ড বাতাস। কক্সবাজার জেলা শহর ও টেকনাফের উপকূলেও বৃষ্টির পরিমাণ ও বাতাসের বেগ বেড়েছে।
কক্সবাজার আঞ্চলিক আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান রোববার সকাল ১০টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সকাল ৯টা থেকে ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রভাগ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ এবং টেকনাফের উপকূলে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। সেন্ট মার্টিনে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হচ্ছে।
“রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেন্ট মার্টিনে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর টেকনাফসহ কক্সবাজারে একই সময়ে সাত মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
দুপুরের দিকে ঘূর্ণিঝড় মোখা উপকূলের স্থলভাগ অতিক্রম করবে বলে জানান আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আকতার কামাল সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এখানে। প্রচণ্ড বৃষ্টির সঙ্গে দমকা বাতাস বইছে। সাগর এখন খুবই উত্তাল অবস্থায় রয়েছে।
“আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজন নিরাপদে আছে।“
রোববার সকাল থেকে কক্সবাজার শহর ও টেকনাফে যে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি চলছিল সোমবার সকালেও তা অব্যাহত আছে। তবে কখনও কখনও মাঝারি আকারেও বৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসের বেগ বেড়েছে।
ফলে জেলা শহরের রাস্তাঘাটে যানবাহন ও লোকজনের চলাচল কমে গেছে। দোকানপাট দেরিতে খুলছে, অফিস-আদালতেও উপস্থিতি কম দেখা গেছে।
টেকনাফের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজন সকালে কিছু চলে গেছে। আবার বৃষ্টি ও বাতাসের বেগ বাড়ার পর কিছু লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে আসতেও দেখা গেছে। টেকনাফ শহরের রাস্তাঘাটে লোকজন ও যানবাহনের চলাচল কমে গেছে।
