উদ্ধার করা মর্টার শেলের নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ

বান্দরবানের ঘুমধুম নয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেটির নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদককক্সবাজার ও বান্দরবান প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 9 Feb 2024, 08:25 AM
Updated : 9 Feb 2024, 08:25 AM

বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার করা মর্টার শেলের নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বিজিবি ও সেনাবাহিনী। 

ওই বিস্ফোরণের শব্দের পর সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা গেছে। 

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা থেকে মর্টার শেলটি উদ্ধার করা হয়, যেটি খুঁজে পেয়ে বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিল চার শিশু। 

বান্দরবানের ঘুমধুম নয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেটির নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

সেই বিস্ফোরণের পরই ওপারে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের ফেলে আসা ক্যাম্প থেকে অন্তত ৫০টি গুলির শব্দ শোনা যায়। 

এ সময় নয়াপাড়া এলাকায় বিজেবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল ছিল। 

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত এলাকা আপাত শান্ত হলেও মাঝেমধ্যেই সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। 

তবে গত সপ্তাহে যেরকম তীব্র গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গিয়েছিল সে রকমটি এখন আর শোনা যাচ্ছে না। 

নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা নুরুল আফসার জানান, তাদের গ্রামে শুক্রবার সকালে একটি মর্টার শেল বিস্ফোরণের জন্য নিয়ে আসেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। সেটি বিস্ফোরণের আগে স্থানীয়দেরও সতর্ক করা হয়। 

নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের বিকট শব্দে সেটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এরপরই মিয়ানমারের ঢেকিবুনিয়া এলাকা থেকে গুলির শব্দ পাওয়া যায়।

রহমতের বিল সীমান্তে লাশ 

এদিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল সীমান্তে অজ্ঞাত একজনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। 

তবে সংঘাতপূর্ণ ওই এলাকায় গিয়ে লাশটি উদ্ধার করা কঠিন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

Also Read: কুড়িয়ে পাওয়া মর্টার শেল বিক্রি করতে যাচ্ছিল রোহিঙ্গা শিশুরা

খবরটি বিজিবিকে জানিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন। 

তিনি বলেন, “সীমান্তে মরদেহ পড়ে থাকার খবরটি বিজিবিকে দিয়েছি। কিন্তু এখনো আমরা উদ্ধার করতে পারিনি। বিজিবির আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”