১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
“আমাদের অভিযোগ, বিশেষ করে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা মুসলিমদের লক্ষ্য করেই এই নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ কারণেই আমরা বিষয়টিকে বৈষম্যমূলক বলছি এবং আদালতে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছি।”
রোববার দুপুরে সীমান্ত পিলার থেকে দেড় কিলোমিটার বাংলাদেশের ভেতরে গাছবুনিয়া পাড়াবাসীর কাছে আশ্রয় নেন এই পাঁচ জন।
এ নিয়ে গত ১৫ মাসে মিয়ানমারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সর্বমোট ৩৩২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে।
“তার মৃত্যুর বিষয়টি বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে সরকার মিয়ানমার দূতাবাসের সঙ্গে যোগযোগ করে।”
এর আগে ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বিজিপির ৭৫২ সদস্য পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল।
ইউএনও বলেন, “জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গা ও বিজিপির সদস্য নাফ নদীতে ট্রলারসহ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল।”
প্যানেল মেয়র বলেন, “বিস্ফোরণের শব্দে এলাকার ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।”
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি সেন্ট মার্টিনে ভেসে আসে বলে ভাষ্য বিজিবির।