ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ, উদ্ধারে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
মাদ্রাসাছাত্রের বাবা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রের স্বজন ও স্থানীয়রা। পরে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান।
তিনি বলেন, “ক্ষুব্ধ লোকজনের ছোড়া ইট-পাটকেল এএসআই নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজম হোসেনের গায়ে লাগে। এতে তারা সামান্য আহত হন।”
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, কোরআন শেখানোর কথা বলে ওই ছাত্রকে নিজ কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পরে ছাত্রটি বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা স্থানীয়দের জানান।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে পুলিশ শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বলেন, “আমার এলাকার এক ছেলেকে মাদ্রাসায় ধর্ষণ করেছে শিক্ষক। পরবর্তীতে এলাকাবাসী মাদ্রাসা ঘেরাও করে রাখে। পুলিশ গিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে থানায় নিয়ে যায়।”
দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে ঘিরে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। বিকালে ছাত্রের বাবা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মাদ্রাসার অন্য কোনো শিক্ষার্থীও এ ধরনের মারধরের শিকার হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
