শেরপুরে শিশু সাংবাদিকতা বিষয়ে হ্যালোর দিনব্যাপী কর্মশালা

দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০ শিশু সাংবাদিকদের ফলোআপ প্রশিক্ষণের জন্য বাছাই করা হয়।

শেরপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 2 Feb 2024, 01:27 PM
Updated : 2 Feb 2024, 01:27 PM

শেরপুরে শিশু সাংবাদিকতায় হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি কার্যালয়ের মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে শিশু সাংবাদিকতায় বিশ্বের প্রথম বাংলা সাইট হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শেরপুর জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা আসলাম খান এবং কবি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রফিক মজিদ।

আসলাম খান বলেন, “শিশুদের সমস্যাগুলো নিজেরা যেভাবে উপলব্ধি করবে, অন্যরা সেটা পারবে না।”

নিজেদের সাফল্য ও সমস্যার নানা দিক সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তুলে ধরার জন্য শিশু সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ করে বাল্যবিয়ে, শিশুশ্রম ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব নিয়ে শিশু সাংবাদিকদের কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

একইসঙ্গে শিশু জন্মের পর ৪৫ দিনের মধ্যে যেন জন্মনিবন্ধন করা হয় সেদিকটি তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

কবি ও সাংবাদিক রফিক মজিদ কর্মশালায় অর্জিত জ্ঞানকে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে ভালোভাবে কাজে লাগানোর জন্য শিশু সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন।

একইসঙ্গে প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে ছবি তোলা ও ভিডিও ফুটেজ নেওয়ার সময় কোন কোন বিষয় মাথায় রাখতে হবে সেসব এবং সাংবাদিকতায় মোবাইল ফোনের ব্যবহার বিষয়ে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জেলা প্রতিনিধি ও হ্যালোর জেলা তত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুর রহিম বাদল।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন হ্যালো বিডির সহ সম্পাদক সৈয়দা মৌ জান্নাত মহুয়া।

এতে মৌলিক সাংবাদিকতার ধারণা, সংবাদ ও ফিচার লিখন, শিশু সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার সমস্যা ও সমাধান, মোবাইল ফোনে সংবাদ ও ভিডিও প্রতিবেদন তৈরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

কর্মসূচি চলাকালে শেরপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে মাঠ পর্যায়ে প্রতিবেদন তৈরি জন্য শিশু সাংবাদিকদের নিয়ে যাওয়া হয়।

২০২৩ সালের ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় শেরপুর জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সি ২০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে সেখান থেকে ১০ শিশুকে ফলোআপ প্রশিক্ষণের জন্য বাছাই করা হয়।