Published : 14 Aug 2026, 01:49 PM
নেত্রকোণার মদনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক নারী সহকারী শিক্ষককে চড়-থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল আজম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে তাকে বরখাস্তের কথা জানান হয়।
বরখাস্ত হওয়া জিয়াউর হক ও ভুক্তভোগী নারী গোবিন্দশ্রী-বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
বরখাস্ত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ‘সরকারি চাকরি বিধি ২০১৮’ এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আজম স্বাক্ষরিত আদেশে মো. জিয়াউল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে আরও বলা হয়, বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা যায়, গত ৬ আগস্ট মোবাইল ফোন রিসিভ না করাকে কেন্দ্র করে ওই বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হকের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নারী শিক্ষককে তিনি চড়-থাপ্পড় মারেন এবং ঘাড় ধরে টেনে-হিঁচড়ে বিদ্যালয়ের বাইরে বের করে দেন।
ঘটনার পর উভয়ের লিখিত অভিযোগ পেয়ে ৯ আগস্ট তদন্ত কমিটি বিদ্যালয়ের সরেজমিনে তদন্ত করেন এবং শিক্ষিকাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।
নেত্রকোণা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল আজম বলেন, তদন্ত কমিটির তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত পাওয়া গেছে। তাই বিধি অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে শিক্ষক জিয়াউল হকের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।