১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

এমপির ইমামতি নিয়ে মসজিদে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি

পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন সাঁথিয়ার একটি মসজিদে জুমার নামাজে ইমামতি করতে চাইলে এ ঘটনা ঘটে।

এমপির ইমামতি নিয়ে মসজিদে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি
পাবনার সাঁথিয়ায় সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন একটি মসজিদে গিয়ে জুমান নামাজে ইমামতি করতে চাইলে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ।

পাবনা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Jul 2026, 09:19 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:43 PM

পাবনার সাঁথিয়ায় একটি মসজিদে জুমার নামাজে সংসদ সদস্যের ইমামতি করা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর বাজার জামে মসজিদে জুমার নামাজ শুরুর আগে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ও পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন দুপুরে মসজিদে গিয়ে খুতবার আগে মাইক্রোফোনে বক্তব্য দেন এবং ইমামতি করার কথা জানান।

এ নিয়ে মসজিদে উপস্থিত বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে মসজিদের ইমামের পেছনে জুমার নামাজ আদায় করেন সবাই।

সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল করিমের অভিযোগ, “দলীয় প্রভাব বিস্তার করতে জামায়াতের এমপি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তিনি হুট করে এসে ইমাম সাহেবের কাছ থেকে মাইক্রোফোন নিয়ে বক্তব্য দেন এবং জোরপূর্বক নামাজ পড়াতে চান।

“প্রতিবাদ জানালে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কর্মীরা উসকানিমূলক আচরণ, ধাক্কাধাক্কি ও মারমুখী অবস্থান নেয়।”

অভিযোগ অস্বীকার করে সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, “আমি ক্ষমতা প্রদর্শন বা জোর করে নামাজ পড়াতে যাইনি। স্থানীয়দের অনুরোধ ও আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম।

“খুতবার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। পরে তার এক কর্মীর দোকানে হামলা, লুটপাট ও মারধর করা হয়।”

ওসি আনিসুর রহমান বলেন, জুমার নামাজে ইমামতি নিয়ে ঝামেলা হতে পারে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে আগে থেকেই সেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।

তিনি বলেন, নামাজ শুরুর আগে মসজিদের ভেতরে দুপক্ষের কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হলেও পুলিশ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।