১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

টেকনাফে এক জালে ধরা পড়ল সাড়ে ৫ লাখ টাকার মাছ

প্রতি কেজি মাছ ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়।

টেকনাফ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Feb 2026, 08:45 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:56 PM

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ সমুদ্র সৈকতে এক টানে জালে ধরা পড়া ১২০টি ‘নাগু মাছ’; যার মধ্যে ১০৫টি সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার এরশাদুল্লাহ মাঝির জালে এসব মাছ ধরা পড়ে বলে জানান টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা উমূল ফারা বেগম তাজকিরা।

মাছ ধরা পড়ার খবর এলাকায় ছড়ালে সমুদ্র সৈকতে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ ক্রেতাদের ভিড় জমে। এ ছাড়া অনেকেই নাগু মাছ দেখতে আসেন। প্রতিটি মাছের ওজন ১০ থেকে ২০ কেজি বেশি। 

জালে ধরা পড়া ১২০টি মাছের মধ্যে ১৫টি শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া প্রতি কেজি মাছ ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। 

মাঝি এরশাদুল্লাহ বলেন, “সকালে ৩০ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে জাল ফেলি। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে একটি বড় ‘নাগু মাছের’ ঝাঁক জালে আটকা পড়ে। পরে অন্য জেলেদের নিয়ে জাল টেনে মাছগুলো সৈকতে নিয়ে আসা হয়। 

কয়েকজন মাছ ব্যবসায়ীর কাছে এসব মাছ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয় বলে জানান তিনি।

মাছ ব্যবসায়ী আবুল ফয়েজ বলেন, ১০৫টি মাছ মাঝির কাছ থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় ক্রয় করা হয়। কিছু মাছ পিস হিসাবে বিক্রি করা হয়। বাকিগুলো বরফ দিয়ে ফিশারিতে সংরক্ষণ করা হয়। আগামীকাল টেকনাফের বিভিন্ন বাজারে এসব মাছ বিক্রি করা হবে।

মৎস্য কর্মকর্তা উমূল ফারা বেগম তাজকিরা বলেন, “মাছগুলো উপকূলীয় সামুদ্রিক সুস্বাদু মৌরি মাছ নামে পরিচিত। এটির বৈজ্ঞানিক নাম Alectis ciliaris। মাছটি ২০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। সাধারণত সাগরে যে এলাকায় প্রবাল রয়েছে মাছগুলো সেখানে বিচরণ করে থাকে।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক মাছ ও ইলিশের প্রজনন বাড়াতে ২০১৯ সাল থেকে (৬৫ দিন) মাছ ধরা ও বিপণনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারণে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন ও আকৃতি বেড়েছে অনেক গুণ।