Published : 18 Jun 2026, 10:03 AM
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অসুস্থ এক কুকুরের কামড়ে তিনদিনে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত মুকসুদপুর পৌরসভার সদর বাজার, কমলাপুর, চন্ডিবর্দি ও টেংরাখোলা এলাকায় তারা কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছেন।
মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, “গত ৩ দিনে আমরা কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে চিকিৎসা দিয়েছি। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।”
হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ রয়েছে, তবে কুকুর থেকে সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে বলে পরামর্শ দেন এ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
পৌরসভার চন্ডিবর্দি এলাকার বাসিন্দা মীর হাবীবুল্লাহ বলেন, “পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি বেওয়ারিশ পাগলা কুকুর। কুকুরটি স্কুল ছাত্রী, পথচারী যাকে সামনে পাচ্ছে তাকেই আক্রমণ করছে, কামড় দিয়ে শরীরে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে মুকসুদপুর পৌরসভা এলাকায় পাগলা কুকর আতংক বিরাজ করছে।”
টেংরাখোলা এলাকার বাসিন্দা মুরসলিন সামস বলেন, “এ অবস্থা চলতে থাকলে পৌর এলাকার আরো অনেক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। তাই দ্রুত কুকুরটির বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত না হয়।”
মুকসুদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার আইন করে কুকুর নিধন বন্ধ করেছে। তাই বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের কোনো ব্যবস্থা আমরা বা পৌরসভা নিতে পারে না।
“তবে যে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরটি মানুষকে কামড়িয়েছে, সেটিকে ধরে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসলে, আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে পারব।”