Published : 21 Aug 2026, 04:00 PM
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় একটি স্কুলের বাথরুম থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
দিঘলিয়া থানার ওসি হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীরহাট হাজী নৈমুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাথরুমের দরজা ভেঙে পাশের ভবনে কাজ করা কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
বর্তমানে ওই ছাত্রী খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ওসি বলেন, “ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে ওই ছাত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয় ছুটির পর বাথরুমে ঢুকলে পেছন থেকে কেউ তার মাথায় আঘাত করে। এতে সে মাটিতে পড়ে যায়।
“এ সময় মারধর করে তার হাত, পা, মুখ বেঁধে ফেলে চেতনানাশক স্প্রে করা হয়। চেতনা ফিরলে সে দেখে বাথরুমের ভেতর তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা।”
তিনি বলেন, “মেয়েটি চিৎকার করতে শুরু করলে স্কুলের পাশের একটি ভবনের কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক বিষয়টি টের পান। পরে তারা এগিয়ে গিয়ে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন।
“এরপর স্থানীয়ভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে নেওয়া হয় খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি বলছেন, “বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় স্কুল ছুটি হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাথরুম থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে নির্মাণ শ্রমিকরা সেখানে যান। পরে তারা বাথরুমের দরজা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।”
মেয়েটির মা বলছেন, “স্কুল ছুটির পর বাথরুমে ঢুকলে পেছন থেকে কেউ তার মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে পড়ে যায়। আমার মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে কেটে রক্তাক্ত করা হয়েছে।”
কী কারণে এবং কারা তার সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে-জানতে চাইলে ওসি বলেন, “এ বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।”