Published : 08 Aug 2024, 10:06 PM
যশোর জেনারেল হাসপাতালে পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনের অভাবে ময়নাতদন্ত না হওয়ায় পাঁচটি লাশ মর্গেই পড়ে আছে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হারুন-অর-রশিদ বলেন, ময়নাতদন্ত করতে গেলে পুলিশ প্রতিবেদন প্রয়োজন হয়। পুলিশ মৃত্যুর বর্ণনা দিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদনসহ ময়নাতদন্তের জন্য চিঠি দেয়। এরপর ময়নাতদন্ত করা হয়। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে পুলিশ অনুপস্থিত থাকায় এ কাজ থেমে আছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়নি।”
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আরও বলেন, “ময়নাতদন্তের অভাবে হাসপাতাল মর্গে থাকা লাশগুলোর মধ্যে আছে যশোর কারাগারের এক কয়েদি, হত্যার শিকার যশোরের ঝিকরগাছার একজন, গত ৫ জুলাই যশোরের হোটেল জাবীর ইন্টারন্যাশনালে আগুন পুড়ে নিহত একজন ও তিনটি বেওয়ারিস।”
এদিকে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য বুধবার পুলিশের মহাপরিদর্শকের নির্দেশনার পরও বৃহস্পতিবার যশোরের কোথাও পুলিশের দেখা মেলেনি।

রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী, রোভার স্কাউট, বিএনসিস কর্মীরা।
অন্যদিকে, তালাবদ্ধ যশোর কোতোয়ালি থানা পাহারা দিচ্ছেন আনসার সদস্যরা।
পুলিশের অভাবে ক্রমশ তৎপর হয়ে উঠছে অপরাধীরা।
বুধবার গভীর রাতে শহরের চিত্রা মোড়ে ম্যাগপাই নামে একটি আবাসিক হোটেলে লুটের সময় কয়েক জনকে ধাওয়া করে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালনকারী যুবকেরা। এ সময় দুজনকে আটক করা হয়।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন বলেন, “গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীসহ অনেকে শহীদ হওয়ার পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও নিহত হয়েছেন। এ অবস্থায় আমাদের অধস্তন পুলিশ সদস্যরা ১১ দফা দাবিতে কর্মবিরতি করছেন। আইজিপি মহোদয় তাদের দাবি বিবেচনার কথা বলে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী পুলিশ কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।”