Published : 16 May 2026, 05:07 PM
সিরাজগঞ্জ থেকে ডাকাতি করা গরু জবাইয়ের পর মাংস ঢাকার বিভিন্ন সুপার শপে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এক বছর আগে গরু ডাকাতির মামলার তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে একজন বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে সলঙ্গা থানার ওসি আলী আসলাম জানিয়েছেন শনিবার।
কারাগারে যাওয়ারা হলেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা গ্রামের মো. আব্দুল্লাহর ছেলে রিপন ওরফে হাসান (২৪), সুপার শপে মাংস সরবরাহকারী ঢাকার আশুলিয়ার এনায়েতপুর এলাকার জুলমত খানের ছেলে জিয়া হোসেন (৪৫) ও তার সহযোগী কসাই পাবনার বেড়া উপজেলার মোহনগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ও আশুলিয়ার এনায়েতপুর গোড়পীর মাজার এলাকার ভাড়াটিয়া গোলজার সেখের ছেলে আব্দুল আলিম (৪২)।
ওসি আলী আসলাম বলেন, ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল কোরবানীর ঈদের আগে চট্টগ্রামের বাসিন্দা আমানুল্লাহ উত্তরাঞ্চল থেকে ১৪টি ষাড় গরু ক্রয় করে পিকআপে করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। রাতে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া মহাসড়ক এলাকায় ডাকাতরা ট্রাকের সাহায্যে পিকআপটি চাপা দিয়ে গতিরোধ করে।
এরপর চালক, হেলপার ও গরুর রাখালদের হাত-পা বেঁধে গরুগুলো নিজেদের ট্রাকে তুলে নিয়ে যায় ডাকাত দল। পরে এ ঘটনায় সলঙ্গা থানায় অজ্ঞাত পরিচয়দের আসামি করে মামলা করেন ওই ব্যবসায়ী।
ওসি আলী আসলাম বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার রিপন ওরফে হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার রিপনকে আদালতে হাজির করা হলে মহাসড়কে গরু ডাকাতি ও সুপার শপে মাংস বিক্রির পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
সলঙ্গা থানা আমলি আদালতের বিচারক বিচারিক হাকিম ওমর ফারুক আসামির জবানবন্দি ধারণ করেন বলে জানান তিনি।
এরপর রিপনের দেওয়া তথ্যমতে সুপার শপে মাংস সরবরাহকারী জিয়া হোসেন ও তার সহযোগী কসাই আব্দুল আলিমকে নিজ নিজ এলাকার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।