Published : 05 Sep 2025, 11:07 AM
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার আধা কিলোমিটারের মধ্যে দুটি সেতুর আরসিসি গার্ডার ও পলেস্তারা খসে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
এছাড়াও দেবে গেছে একটি সেতুর অর্ধেক অংশ। তারপরেও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হালকা যানবাহনসহ বহু মানুষ।
সেতু দুটি ভুরুঙ্গামারীর শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গা বাজারগামী সড়কে অবস্থিত। স্থানীয়রা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দুটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে যে কোনো মুহুর্তে প্রাণহানিসহ বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মিটার ও ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু দুটি কয়েক বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার করা যাচ্ছে না।
শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গা বাজার এলাকার বাসিন্দা রফিক বলেন, “সেতু দুটি দিয়ে হালকা যান চলাচল করলেই কাঁপতে থাকে। যে কোন মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে।
“তাই অতি দ্রুত সেতু দুটি সংস্কার করা দরকার। নইলে এই ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।”

একই এলাকার পল্লী চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষসহ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী চলাচল করে। এই সেতু দিয়েই অনেক অসুস্থ ও গর্ভবতী নারী চিকিৎসা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।
“সেতু দুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ ইউনিয়নের ব্যবসায়ীদের পণ্য আমদানি-রপ্তানির ব্যয় বেড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে ইউনিয়নটি আরও পিছিয়ে পড়বে।”

৩০-৩৫ বছর আগে সেতু দুটি নির্মাণ করা হয়েছিল জানিয়ে শিলখুড়ি ইউনিয়নের সদস্য শামসুল হক বলেন, “কয়েক বছর ধরে সেতু দুটির পলেস্তারা খসে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। এর ফলে পুরো ইউনিয়নের মানুষ আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করছে। ভারি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।”
ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকার বলেন, “ব্রিজ দুটি সংস্কারের জন্য ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।”