Published : 01 May 2026, 12:28 AM
ফরিদপুরে ‘সাংবাদিক পরিচয়ে’ সরকারি কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি-বিআরটিএ ফরিদপুর কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয় বলে কোতোয়ালি থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান।
আটক জনি বিশ্বাস (২৪) ফরিদপুর শহরতলীর বিলনালিয়া গ্রামের কাদের বিশ্বাসের ছেলে। তিনি শহরে ভাড়া বাসায় থাকেন।
ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, “অফিসে ভাঙচুরের খবর পেয়ে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিআরটিএ ফরিদপুর কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, “দুপুরের দিকে জনি বিশ্বাস আমার অফিসে এসে নিজেকে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেন, দুর্নীতি করে আমি অনেক টাকা কামিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে লেখালেখি হবে এবং তা বন্ধ রাখতে ২০ হাজার টাকা চান।”
তিনি বলেন, “আমি তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে অফিসের টেবিলে আঘাত করেন। এতে টেবিলের কাঁচ ভেঙে যায়। পরে সহকর্মীরা তাকে আটক করেন।
“পরে বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হলে তিনি পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়।”
বিআরটিএ ফরিদপুর সার্কেলের সহকারী পরিচালক পলাশ খীসা বলেন, অফিসে ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে জনি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আটকের সময় ধারণ করা একটি ভিডিওতে জনি বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সংবাদ সংগ্রহের জন্য তিনি সাক্ষাৎকার নিতে সেখানে গিয়েছিলেন।