২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আরও ১০৯৬ রোহিঙ্গা ভাসানচরের পথে

কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য ত্রয়োদশ দফায় প্রথম ধাপে আরও এক হাজার ৯৬ রোহিঙ্গা রওনা হয়েছেন।

কক্সবাজার প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Mar 2022, 02:47 PM

Updated : 25 Oct 2022, 10:20 AM

মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টায় উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে ২০টি বাসে করে রোহিঙ্গারা চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন বলে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়ন জানান।

তিনি আরও জানান, বিকালে দ্বিতীয় ধাপে আরও একটি বহর রওনা দেবে।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারি কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বহনকারী কয়েকটি বাসও বহরের সঙ্গে রয়েছে।

সামছু-দ্দৌজা বলেন, “স্বেচ্ছায় ভাসানচর যেতে আগ্রহ প্রকাশকারী রোহিঙ্গাদের নাম তালিকাবদ্ধের জন্য উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে একটি অস্থায়ী বুথ খোলা হয়েছে। সেখানে শুধু স্বেচ্ছায় ভাসানচর যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে।”

২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে প্রথম রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরে কার্যক্রম শুরু হয়।

এরপর দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে ২০২১ সালের ৯ অক্টোবর ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সহায়তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সম্মতি প্রকাশের মাধ্যমে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা- ইউএনএইচসিআর।

এর আগে দ্বাদশ দফা পর্যন্ত কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছিল ২৪ হাজার ৫৭৮ রোহিঙ্গাকে।

এবারের ত্রয়োদশ দফায় প্রথম ধাপের এক হাজার ৯৬ জনসহ ২৫ হাজার ৬৭৪ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ২০২০ সালে সরকার সিদ্ধান্ত নেয় কক্সবাজারের আশ্রয়শিবির থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর করা হবে। সরকারের ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ওই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে বাসস্থানসহ অবকাঠামোগত সব ধরনের সুযোগ-সুবিধার নির্মাণ ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সরকার।