পর্যটক ধর্ষণ: জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে মশাল মিছিল কক্সবাজারে
পর্যটক ধর্ষণে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবিতে কক্সবাজারে মশাল মিছিল করেছে ছাত্র ইউনিয়ন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের লালদিঘীর পাড়ের সংগঠনের কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি পুনরায় একই স্থানে গিয়ে সংক্ষিপ্ত পথসভায় শেষ হয়।
ঢাকার যাত্রবাড়ী থেকে স্বামী ও আট মাসের সন্তনসহ বুধবার কক্সবাজার আসা ২৫ বছর বয়সী এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায় মামলার এক আসামিকে আটক করা হলেও হোতাকে ধরা যায়নি।
ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সংসদের সভাপতি জয় বড়ুয়ার সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি বিবেক চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদিল জয়, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু দে, সহ-সাধারণ সম্পাদক ক্লোরিন চাকমা, ছাত্রনেতা নিলয় দাশ, প্রতুল বড়ুয়া, রাফায়েত উল্লাহ প্রমুখ।
জয় বড়ুয়া বলেন, ধর্ষণের এ ঘটনা দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জেলার পর্যটন স্পটগুলোর নিরাপত্তা জোরদার, ছিনতাইসহ সবধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যটক হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানানো হয় সভায়।
এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, বুধবার বিকালে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে এক মার্কেটে ভিড়ের মধ্যে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথা-কাটাকাটি হয়।
পরে সন্ধ্যার দিকে পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার শিশু সন্তান ও স্বামীকে অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন যুবক।
আর তিন যুবক আরেকটি অটোরিকশায় করে ওই নারীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গলফ মাঠের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে।
ওই তিন যুবক তাকে পরে নিয়ে যায় জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে। তৃতীয় তলার একটি কক্ষে আটকে রেখে তাকে আরেক দফা ধর্ষণ করা হয়। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে ‘হত্যা করা হবে’ বলে হুমকি দিয়ে বাইরে থেকে রুম আটকে চলে যায় ওই তিন যুবক।
মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামি হলেন আশিকুল ইসলাম আশিক, ইসরাফিল হুদা জয়, রিয়াজ উদ্দিন ছোটন ও বাবু।
এদের মধ্যে রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে। তিনি ঘটনাস্থল আবাসিক হোটেল জিয়া গেস্ট ইন-এর ম্যানেজার।
