‘মুক্তিযোদ্ধার’ হামলায় কমিটির সদস্য আহত, যাচাই-বাছাই স্থগিত
ফরিদপুরে মধুখালী উপজেলায় এক ‘মুক্তিযোদ্ধার’ হামলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির এক সদস্য আহত হওয়ার পর বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা মিলনায়তনে এ ঘটনার পর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করা হয় বলে জানান যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক আবুল ফয়েজ মো. শাহ নেওয়াজ।
পরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইউএনও বেগম লুৎফুন্নাহার ভ্রাম্যমাণ আদালতে মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুজ্জামান ইলিয়াসকে (৬২) দুই মাসের কারাদণ্ড দেন। ইলিয়াস উপজেলার গাড়াখোলা এলাকার বাসিন্দা।
আবুল ফয়েজ বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলা মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু হয়। বেলা দেড়টার দিকে আশরাফুজ্জামান ইলিয়াস ওই কক্ষে প্রবেশ করে কমিটির সদস্য যুদ্ধকালীন কমান্ডার কবিরুল আলম মাওকে ঘুষি মারেন।
“কিন্তু ঘুষি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে আরেক কমান্ডার শেখ আব্দুল ওহাবের চোখে ও নাকে লাগে। তার নাক ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে।”
পরে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ফয়েজ আরও বলেন, পরে ইউএনও মঙ্গলবারের জন্য মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই স্থগিত করে ওই কক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে আশরাফুজ্জামান ইলিয়াসকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার দায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বেগম লুৎফুন্নাহার বলেন, আশরাফুজ্জামান ইলিয়াসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে তার ভাতা স্থগিত রয়েছে। যাচাই-বাছাই কমিটি তার বিষয়টিও যাছাই-বাছাই করবে।
