Published : 01 Apr 2017, 01:34 AM
শুক্রবার দুপুরে বরিশালের হিজলা উপজেলায় নৌ পুলিশ ফাঁড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান বরিশালের পুলিশ সুপার এসএম আক্তারুজ্জামান।
গত ১৬ জানুয়ারি এ মামলার রায়ে সাজা হওয়ার পরও হাবিব ওই ফাঁড়িতে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার কাঞ্চনপাড়া গ্রামে।
২০১৪ সালের এপ্রিলে ঘটনার সময় র্যাব-১১ তে কর্মরত ছিলেন তৎকালীন পুলিশ কনস্টেবল হাবিবুর। তিনি র্যাব-১১ এর তৎকালীন অধিনায়ক ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক সাঈদের দেহরক্ষী ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, সাত খুনের ঘটনায় হাবিবুর ২৭ বছর কারাদণ্ড প্রাপ্ত। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তার সাজা পরোয়ানা নড়িয়া থানার পৌঁছায়।
“শুক্রবার দুপুরে নড়িয়া থানা পুলিশের একটি দল তাকে হিজলা নৌ ফাঁড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।”
বহুল আলোচিত একটি ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পুলিশ বাহিনীতে এতেদিন কীভাবে চাকরি করলো এবং পদোন্নতি পেল জানতে চাইলে এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারেননি পুলিশ সুপার।
এদিকে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন ধরেননি বরিশাল নৌ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোতালেব হোসেন।
তবে নাম প্রকাশ না করে বরিশাল জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, সাত খুনের ঘটনার পর সু-কৌশলে র্যাব থেকে বেরিয়ে পুলিশ বাহিনীতে ফিরে আসে হাবিবুর।
৭/৮ মাস আগে তিনি হিজলা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে যোগ দেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রো পলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
পুরানো খবর:
সাত খুন: নূর হোসেনসহ ২৬ আসামির ফাঁসির রায়