২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর জোর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ঢাকা মেডিকেলে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, বলেন তিনি।

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর জোর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ঢাকা মেডিকেল কলেজে আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 20 Sep 2026, 03:45 PM

Updated : 20 Sep 2026, 03:45 PM

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে রোগীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেছেন, দেশেই বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে নারীদের উৎসাহিত করা হবে।

রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এ সেমিনারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখছিলেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “দেশের মেধাবী চিকিৎসকেরা সক্ষম হলেও অনেক রোগী ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান, ফলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়। বিদেশের সমমানের চিকিৎসা দেশে সম্ভব, এমন আস্থা তৈরি করতে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।”

এছাড়া বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগামী বাজেটে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

একইসঙ্গে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় থাকা নারীদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “শতকরা ৮০টি ক্ষেত্রেও যদি আমরা সফল হই, সেটিই দেশের জন্য বড় সাফল্য হবে।”

পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রিপ্রোড্রাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে আয়োজিত এ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা মেডিকেলের সহকারী অধ্যাপক ডা. উমা নাগ শম্পা৷

অধ্যাপক ডা. মুসারাত সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাজহারুল শাহীন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন।