২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

নওগাঁয় ‘জেএমবি’ সদস্য গ্রেপ্তার

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ‘তালিকাভুক্ত’ এক জেএমবি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাকে বাংলা ভাইয়ের সহযোগী বলছে পুলিশ।

নওগাঁ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Jul 2016, 10:29 PM

Updated : 20 Aug 2022, 01:09 PM

শুক্রবার বারুনীতলা বাজার থেকে মঞ্জুরুল ইসলাম মিলনকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।

মিলন আত্রাই উপজেলার মহাদিঘী গ্রামের মালেক মুহুরীর ছেলে।

আত্রাই থানার ওসি মো. বদরুদ্দোজা বলেন, ২০০৪ সালে রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলাসহ আশেপাশের উপজেলায় বাংলা ভাই সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে জেএমবি কথিত সর্বহারা নিধন নামে হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন, লুটতরাজ, ঘরবাড়ি ভাংচুর চালায়।

“বাংলা ভাইয়ের সঙ্গে থেকে মিলনও এসব কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ওইসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মিলন পলাতক ছিলেন।”

ওসি আরো জানান, সকালে মিলনের বাড়ি আসার গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলার বারুনীতলা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তিার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই ও তার সহযোগীরা ২০০৪ সালের ২০ মে নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলায় ইদ্রিস আলী ওরফে খেঁজুর আলী ও আব্দুল কাইয়ুম বাদশাকে হত্যা করে। পরে বাদশার মরদেহ উল্টো করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়; খেঁজুর আলীকে টুকরো টুকরো করে লাশ পুঁতে ফেলা হয় মাটিতে।

গাছে লাশ ঝুলিয়ে রাখার সেই ছবি সংবাদমাধ্যমে এলে দেশজুড়ে রাতারাতি পরিচিত হয়ে ওঠে ‘বাংলা ভাই’ নামটি।

২০০৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সরকার জেএমবি ও জেএমজেবির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে ওই বছর ১৭ অগাস্ট ৬৩ জেলায় একযোগে বোমা ফাটিয়ে নিজেদের শক্তির জানান দেয় সংগঠনটি। 

ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যার দায়ে ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলাভাইসহ ছয় জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করা হয়।