কৃষি কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে
নীলফামারীর জলঢাকায় এক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাদেকুজ্জামানের অভিযোগ, রোববার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও কাঁঠালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন তুহিন তাকে মারধর করেন।
জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন তিনি।
সাদেকুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “বেলা আনুমানিক ৩টার দিকে তুহিন আমার দপ্তরে আসেন। এ সময় সরকারের ধান সংগ্রহের অভিযানে তার ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডে কৃষকের নাম তালিকায় কম হওয়ার অভিযোগ তুলে আমাকে গালিগালাজ করেন।
“একপর্যায়ে ডেস্ক ক্যালেন্ডার দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি মারতে শুরু করলে আমার কপাল ও মুখমন্ডল কেটে যায়।”
খবর পেয়ে সহকর্মীরা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।
এ ঘটনায় নীলফামারী কৃষি বিভাগের উপ-পরিচারকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তুহিন বলেন, কাঁঠালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অন্তত দেড় হাজার মানুষ বসবাস করেন। এদের অধিকাংশই কৃষক।
“সরকারের ধান সংগ্রহের অভিযানে ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মাত্র ছয়জন কৃষকের নাম তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করেছে কৃষি বিভাগ। বাকি কৃষকের নাম তালিকায় না থাকায় ওই কৃষি কর্মকর্তার কাছে প্রতিবাদ করেছি মাত্র।”
এ বিষয়ে নীলফামারী কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক গোলাম মো. ইদ্রিস জানান, হামলা চালিয়ে লাঞ্ছিত করার ঘটনা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তুহিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
এবার জলঢাকার ১১টি ইউনিয়নের ও একটি পৌরসভার কৃষকদের কাছ থেকে সরকার সরাসরি দুই হাজার ১৭৬ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করবে।
এর মধ্যে কাঁঠালী ইউনিয়নের কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ২৫০ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করার কথা রয়েছে।
