পরীক্ষার হলে ‘কথা বলেছিল’ ছেলেটি
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের এক স্কুলে পরীক্ষার সময় ‘অন্য শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলায়’ এক ছাত্রকে ‘লাথি মেরে ও পিটিয়ে’ আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এম ইউ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরকে রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ছেলেটির সহপাঠীদের বরাত দিয়ে তার চাচা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শনিবার সকালে স্কুলের পরীক্ষা চলার সময় তার ভাতিজাকে পেছনের বেঞ্চের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলতে দেখে ক্ষেপে যান পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক মনির হোসেন মোল্লা।
“তিনি আমার ভাতিজাকে কান ধরে বেঞ্চ থেকে উঠিয়ে আনেন এবং পরীক্ষার হলে সব শিক্ষার্থীর সামনে স্কেল দিয়ে পেটান।”
চাচার দাবি, স্কেলের পিটুনিতে ছেলেটির পিঠ ‘রক্তাক্ত হয়ে গেলে’ সে আর পরীক্ষায় বসবে না বলে জানায়। এতে সেই শিক্ষক আরও ক্ষেপে ওঠেন এবং ওই ছাত্রের ‘বুকে লাথি মেরে ও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে’ জোর করে তাকে স্কুল কক্ষে বসিয়ে রাখেন।
খবর পেয়ে পরে অভিভাবকরা ছেলেটিকে স্কুল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন বলে জানান তার চাচা।
তিনি বলেন, “একজন শিক্ষক একটা ছোট বাচ্চাকে পিটিয়ে আহত করেছে! এ কোনো মানুষের কাজ নয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামগঞ্জ এম ইউ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল আজিজ বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ম্যানেজিং কমিটিকে জানানো হয়েছে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে এম ইউ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনির হোসেন মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে শিক্ষক মনিরের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে রামগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবু ইউসুফ জানান।
