২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

থানচি সীমান্তে গোলাগুলি: আটকরা ফের রিমান্ডে

বান্দরবানের থানচি সীমান্তে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সঙ্গে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সংঘর্ষের পর আটক তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবার হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

রাঙামাটি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Sep 2015, 06:04 PM

Updated : 22 Aug 2022, 01:10 PM

সোমবার রাঙামাটির অতিরিক্ত বিচারিক হাকিম সাবরিনা আলী এ আদেশ দেন।

এরা হলেন আরাকান আর্মির কথিত সহযোগী অংনু ইয়ান রাখাইন,যে বাড়ি থকে তাকে আটক করা হয়েছে সে বাড়ির বর্তমান ও সাবেক দুই তত্ত্বাবধায়ক মংসোয়াং মারমা (৩৯) ও চসুই অং মারমার (৪২)। 

এছাড়া দুই কেয়ারটেকারকে বিদেশি নাগরিক আইন মামলায় আগামী ৫ কার্য দিবসের মধ্যে একদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেয় একই আদালত।  

এর আগে বিদেশি নাগরিক আইনের মামলায় তাদের হেফাজতে (রিমান্ড) নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

রাঙামাটির আদালত পুলিশ পরিদর্শক মামিনুল ইসলাম জানান, রাঙামাটির রাজস্থলীতে মিয়ানমারের বিছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গ্রুপ আরাকান আর্মির নেতা পলাতক ডা. রানিন সোয়ের বাড়ি থেকে আটক আরাকান আর্মির সদস্য অং ওয়েন ও বাড়িটির দুই কেয়ারটেকার মংসোয়াং মারমা (৩৯) ও চসুই অং মারমাকে (৪২) সন্ত্রাস দমন ও বিদেশি নাগরিক আইন মামলায় সকালে আদালতে তোলা হয়।

“পুলিশ সন্ত্রাস দমন আইনে ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন জানালে আদালত তিন দিন মঞ্জুর করে।”

এছাড়া দুই কেয়ারটেকারকে আগামী ৫ কার্য দিবসের মধ্যে একদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

২৬ অগাস্ট সকালে বান্দরবানের থানচির সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মি হামলা চালালে বাংলাদেশেরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সঙ্গে কয়েকঘণ্টা গোলাগুলি চলে। এক পর্যায়ে হাসলাকারীরা পিছু হটে।

পরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে রাঙামাটির রাজস্থলীর একটি বাড়ি থেকে আরাকান আর্মির সহযোগী সন্দেহে অং ওয়েন রাখাইনকে আটক করে। তার কাছ থেকে আরাকান আর্মির পোশাক ও পোশাক তৈরির কাপড়সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় বাড়িটির মালিক ডা. রানিন সোয়েসহ চার জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইন ও বিদেশি নাগরিক আইনে দুটি মামলা করে পুলিশ।

আরাকান আর্মির কথিত সদস্য অংওয়েন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন তিনি জেল হাজতে রয়েছেন।

এছাড়া দুই কেয়ারটেকারকে বিদেশি নাগরিক আইনের মামলায় প্রথমে ৫ দিন ও পরে ৩ দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।