Published : 28 Jul 2026, 10:40 PM
ভালো কাজের আশায় অবৈধ পথে ভারতে গিয়ে দেশটির পুলিশের হাতে আটকের পর আড়াই বছর সাজা খেটে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি পাঁচ নারী।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতের হরিদাসপুর চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বিএসএফ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে বিজিবির কাছে তাদের হস্তান্তর করে বলে জানান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ওসি সাইফুর রহমান।
ফেরত আসারা হলেন- বাগেরহাট জেলার সামসুল হকের মেয়ে শিমু আক্তার ও শারমিন খাতুন, টাঙ্গাইল জেলার মো. বাদশাহ মিয়ার মেয়ে পাপিয়া বাদশা, যশোর জেলার সিদ্দিক মিয়ার মেয়ে লাভলী খাতুন এবং নড়াইল জেলার দুলাল মোল্লার মেয়ে রোজিনা খাতুন।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, মুম্বাইয়ের বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের তৃতীয় সচিব এবং ভারতের মুম্বাইয়ের এফআরআরও থেকে দেওয়া ট্রাভেল পারমিট ও লিভ ইন্ডিয়া নোটিসের ভিত্তিতে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে হরিদাসপুর চেকপোস্টে তাদের হস্তান্তর করে বিএসএফ।
ওসি সাইফুর রহমান বলেন, তারা ভালো কাজের আশায় দালালদের খপ্পরে পড়ে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই সীমান্তের অবৈধ পথে ভারতে যান। সেখানে কাজ করার সময় দেশটির পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পরে ভারতীয় আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়।
পরবর্তীতে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি চালাচালির এক পর্যায়ে যশোরের বেনাপোল দিয়ে তারা দেশে ফেরেন বলে জানান তিনি।
তাদেরকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংগঠনের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে জানান ওসি।
‘যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের’ এরিয়া কোয়ার্ডিনেটর মুহিত চৌধুরী বলেন, ফেরত আসাদের যশোর শেল্টার হোমে রেখে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হস্তান্তর করা হবে।