নোয়াখালীতে আড়তে মজুত ৩০ কেজি ইলিশ জব্দ, গেল এতিমখানায়
নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশ মজুত করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে একটি আড়তে মজুত করা ৩০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বসুরহাট মাছ বাজারের আবদুল ওহাবের আড়তে এ অভিযান চালিয়ে ইলিশ জব্দ করা হয়।
পরে তা দুটি এতিমখানায় দেওয়া হয় বলে জানান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শাহনেওয়াজ মোর্শেদ অপু।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আড়তটিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশ মজুত করায় আড়তের মালিককে না পাওয়ায় ম্যানেজার বেলায়েত হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, জব্দ করা ইলিশ নষ্ট না করে এতিম শিশুদের খাবারের জন্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় দুটি এতিমখানার তত্ত্বাবধায়কদের ডেকে এনে ইলিশ ভাগ করে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ক্ষতিকারক নয় এমন খাবার জব্দ হলে তা নষ্ট না করে অনেক সময় কাছাকাছি সরকারি-বেসরকারি এতিমখানা বা লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে দেওয়া হয়। এতে একদিকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, অন্যদিকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা খাবার পায়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় ৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ।
তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর নোয়াখালীতে এটি প্রথম অভিযান। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা বা ইলিশ মজুত ও বিক্রি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
