২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

বরিশালে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

“ভোটের দিন একটি কেন্দ্রে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ দিপুর সমর্থকদের সঙ্গে চিংড়ি প্রতীকের সমর্থকদের হাতাহাতি হয়।”

বরিশালে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
হিজলা উপজেলার আব্দুল বারেককে আহত অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বরিশাল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 May 2024, 11:10 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:37 AM

বরিশালের হিজলা উপজেলায় ভোটের জেরে এক যুবককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  

উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে চর দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে হিজলা থানার ওসি মো. জুবাইর জানান।    

আহত আব্দুল বারেক (৪০) ওই গ্রামের জাহাবক্স সরদারের ছেলে। তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বারেক উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম ঢালীর সমর্থক ছিলেন। 

নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ মাহমুদ দিপু ২৫ হাজার ২৫৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম রাজু ঢালী পেয়েছেন ২২ হাজার ৬৬২ ভোট।

বারেকের ভগ্নিপতি আব্দুল আলী বুধবার বলেন, “বারেক উপজেলা নির্বাচনে চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম ঢালীর সমর্থক ছিলেন। ভোটের দিন একটি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফ মাহমুদ দিপুর সমর্থকদের সঙ্গে চিংড়ি প্রতীকের সমর্থকদের হাতাহাতি হয়। 

“ভোটের ফল ঘোষণার পর বিজয়ী চেয়ারম্যান আলতাফ মাহমুদ দিপুর সমর্থক মাইদুল গোলদার, আমির হোসেন গোলদারসহ আরও ২-৩ জন গ্রামের নূরানী মাদ্রাসার সামনে বারেককে আটকায়। তারা কুপিয়ে বারেকের মাথা, হাত ও পা জখম করে।” 

আব্দুল আলী বলেন, স্থানীয়রা বারেককে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছে। 

এ ঘটনায় মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন আব্দুল আলী। 

হিজলা থানার ওসি মো. জুবাইর বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলতাফ মাহমুদ দিপু সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আমার কর্মী-সমর্থক সবাইকে সাবধান করে দিয়েছি যেন, কোনো ধরনের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা না হয়। যে সহিংসতা করবে সে আমার কর্মী না।”