Published : 26 May 2026, 07:20 PM
প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা ফেরিঘাট হয়ে বাড়ি যাচ্ছেন। তবে বৈরী আবহাওয়ায় প্রায় এক ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালক ও যাত্রীরা।
যদিও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন-বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তাদের দাবি, ঘাট পারাপারে ভোগান্তি নেই।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টায় বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাম হোসেন বলেন, “ঝড়ের কারণে ফেরি কিছু সময় বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-পথে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কিছু সময় লাগছে। চাপ থাকলেও ভোগান্তি নেই। ঘাটে আসার কিছুক্ষণ পরই ফেরিতে উঠে যাচ্ছে যানবাহন ও যাত্রীরা।”

আর ফেরিতে লোকাল গাড়িতে আসা যাত্রীর চাপও বেশি, তাই পরিবহনের গাড়ি কয়েকটি কম যেতে পারছে বলে একটু চাপ রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
এদিকে ঘরে ফেরা মানুষদের নিরাপত্তায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ অংশে এবং পাটুরিয়া-আরিচা ফেরি ঘাটে ৪০০ পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি র্যাব, নৌ পুলিশ ও আনছার সদস্যরা রয়েছেন।

ঈদ করতে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী যাচ্ছেন সেলিম মিয়া। তিনি বলেন, “বছরে দুইবার ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে যাই। আশুলিয়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুবাদে পরিবার নিয়ে এখানেই থাকি। নবীনগর থেকে বাসে করে পাটুরিয়া ঘাট এলাকা পর্যন্ত আসলাম। তেমন ভোগান্তি হয়নি। তবে পরিবহনে আসলে ফেরির অপেক্ষায় থাকতে হত।”
কুষ্টিয়াগামী একটি পরিবহনের যাত্রী শাহজাহান মিয়া বললেন, “এখন আর ভোগান্তি হয় না। তবে ঝড়ের কারণে ফেরি বন্ধ থাকায় তিন ঘণ্টা ধরে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছি।”

কুষ্টিয়াগামী একটি পরিবহনের সুপার ভাইজার ফিরোজ মিয়া বলেন, “চার ঘণ্টা পর ফেরিতে উঠতে পারছি। মেলা ভোগান্তি হইল।”
মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, “ঘরমুখো মানুষদের নিরাপদে বাড়ি ফিরতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের অংশে জেলা পুলিশের ৪০০ সদস্য বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়োজিত রয়েছে। এ ছাড়া ফেরিঘাট এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পোশাক ও সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করছে।”