Published : 15 Jul 2025, 01:47 PM
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার সৎ মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত শিশুর বাবা হারুনর রশিদের দায়ের করা মামলায় রোববার রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মুগবেলাই এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি একরামুল হোসাইন জানান।
এর আগে রোববার রাতে একই উপজেলার কুটিরচর এলাকার নিজ ঘর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ৩০ বছর বয়সী রুবি আক্তার উপজেলার কুটিরচর গ্রামের হারুনর রশিদের স্ত্রী। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আর নিহত শিশু হাজেরা খাতুন হারুনরের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে।
ওসি একরামুল বলেন, “প্রায় সাত বছর আগে হাজেরার মা স্বামী-সন্তান রেখে পালিয়ে গেলে রুবি আক্তারকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন হারুনর রশিদ। হারুন চাকরির কারণে বাড়িতে থাকতেন না। এই সুযোগে শুরু থেকেই সৎ মা রুবি হাজেরাকে মারধর ও নির্যাতন করতেন।
“রোববার দুপুরে হাজেরাকে হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দি করে একটি বালতির মধ্যে তুলে নিজ ঘরের খাটের নিচে রেখে পালিয়ে যান রুবি। ওই সময় রুবির নিজের দুই জমজ সন্তানকেও বাড়িতে রেখে যান। অনেক খোঁজাখুজি পর সন্ধ্যায় স্বজনরা ঘরের মধ্যে হাজেরার মৃতদেহ পায়।”
তিনি বলেন, “এরপরই রুবিকে ধরতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মাঠে নামে। রুবিকে গ্রেপ্তারের পর সোমবার বিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।”
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার শরিফ বাপ্পি জবানবন্দি তার রেকর্ড করেন। পরে রুবিকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে ওসি একরামুল জানান।
সিরাজগঞ্জে নিজ ঘরে শিশুর মরদেহ, হত্যার অভিযোগ সৎ মায়ের বিরুদ্ধে