১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকেও ‘কৃষিপণ্য স্পেশাল ট্রেন’ ফাঁকা

খুলনা থেকে উদ্বোধনী ট্রেনে আসে কেবল ৬৪০ কেজি পণ্য। পঞ্চগড় থেকে ছাড়া ট্রেনও আসে ফাঁকা। এসব ট্রেনে পথের কোনো স্টেশনেও উঠেনি পণ্য।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকেও ‘কৃষিপণ্য স্পেশাল ট্রেন’ ফাঁকা
খুলনা ও পঞ্চগড়ের মত চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছাড়া কৃষিপণ্য স্পেশাল ট্রেনও কোনো সাড়া ফেলতে পারল না।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Oct 2024, 05:57 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:47 AM

খুলনা, পঞ্চগড়ের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকেও ঢাকার উদ্দেশে ‘কৃষিপণ্য স্পেশাল ট্রেন’ ছাড়ল ফাঁকা। পথে রাজশাহী থেকেও ওঠেনি না কোনো পণ্য।

শনিবার সকাল পৌনে ১০টায় রহনপুর স্টেশন থেকে এই ট্রেন যাত্রা শুরু করে।

স্টেশন মাস্টার মামুনুর রশিদ বলেন, “প্রথম দিনে কৃষিপণ্য পরিবহনে সাড়া মেলেনি। ফাঁকা ছেড়ে গেছে এ ট্রেন।”

শনিবার সকাল সোয়া ৯টায় ট্রেনটি ঢাকার পথে যাত্রা শুরুর করার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রীবাহী একটি ট্রেন ছাড়ার জন্য কিছুটা দেরিতে থেকেছে স্পেশাল ট্রেন । 

আমনুরা জংশনের স্টেশন মাস্টার হাসিবুল হাসান জানান, নাচোল ও আমনুরা জংশন থেকেও বুকিং হয়নি কৃষি পণ্য ।

কাকনহাট, রাজশাহী, সরদহরোড, আড়ানী, আব্দুলপুর, আজিমনগর, ঈশ্বরদী বাইপাস, চাটমোহর, বড়ালব্রিজ,জয়দেবপুর হয়ে  ঢাকার তেজগাঁও স্টেশনে ট্রেনটির পৌঁছার সময় নির্ধারিত বিকাল ৫টা ২০ মিনিট।

কৃষিপণ্য পরিবহনের খরচ কমাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে এই ট্রেন চালু করলেও এখন পর্যন্ত বড় লোকসান দিতে হচ্ছে। 

প্রতি মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে খুলনা থেকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় পঞ্চগড় থেকে, শনিবার সকাল সোয়া ৯টায় ১৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ট্রেন ছাড়বে। পথে বিভিন্ন স্টেশন থেকেও পণ্য তোলার কথা আছে। সবকটি ট্রেন তেজগাঁও স্টেশনে থামবে।

এছাড়াও সব আন্তঃনগর ট্রেনে প্রতিদিন কৃষিপণ্য ও মালামাল পরিবহনের জন্য লাগেজ ভ্যান যুক্ত করা হচ্ছে।

প্রতি কেজি কৃষিপণ্য খুলনা থেকে ঢাকায় ১ টাকা ৪৭ পয়সা, যশোর থেকে ঢাকা ১ টাকা ৩৫ পয়সা, চুয়াডাঙ্গার থেকে ঢাকা ১ টাকা ৩০ পয়সা, ঈশ্বরদী থেকে ঢাকা ১ টাকা ৮ পয়সা, পার্বতীপুর থেকে ঢাকা ১ টাকা ৩৪ পয়সা, জয়পুরহাট থেকে ঢাকায় ১ টাকা ৩০ পয়সা, সান্তাহার থেকে ঢাকা ১ টাকা ১৯ পয়সা, রাজশাহী থেকে ঢাকা ১ টাকা ১৮ পয়সা, রহনপুর থেকে ঢাকা ১ টাকা ৩০ পয়সা ভাড়া ঠিক করা হয়েছে।

এই স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ লাগেজ ভ্যানের পাশাপাশি রেফ্রিজারেটেড লাগেজ ভ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে যার মাধ্যমে মাছ-মাংসসহ পচনশীল পণ্য পরিবহন করা যাবে।

ব্যাপক প্রচার প্রচারণার পরেও মঙ্গলবার খুলনা থেকে কেবল ৬৪০ কেজি পণ্য নিয়ে ট্রেন ছাড়ে। পথে যশোরে ১০ মিনিটের যাত্রা বিরতি থাকলেও কোনো পণ্য ওঠেনি।

গত বৃহস্পতিবার পঞ্চগড় থেকেও ট্রেন ছাড়ে ফাঁকা, পথে দিনাজপুর থেকেও কোনো পণ্য ওঠেনি।