‘পদত্যাগে বাধ্য করানো’ অধ্যক্ষকে ফুলের মালা দিয়ে ফেরালেন শিক্ষার্থীরা
একদিন আগে দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের পরিচয়ে একদল শিক্ষার্থী ‘জোরপূর্বক’ ওই অধ্যক্ষকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
‘পদত্যাগে বাধ্য করানোর’ একদিন পর দিনাজপুরের বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এ কে মাসুদুল হককে স্বপদে ফেরালেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিচয়ে একদল শিক্ষার্থী ‘জোরপূর্বক’ ওই অধ্যক্ষকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।
অধ্যক্ষ মাসুদুল হক বলেন, “বুধবার সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিচয়ে একদল শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করে আমার কক্ষে গিয়ে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে কলেজ থেকে বের করে দেয়।”
এ ঘটনার প্রতিবাদে ডাকা সমাবেশে শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম ভাঙিয়ে একটি গোষ্ঠী ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য অধ্যক্ষকে অপসারণ ও লাঞ্ছিত করেছে। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
যারা শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত করতে চায় তাদের ছাত্র-জনতা রুখে দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে ওই কলেজের শিক্ষার্থী স্বপন রায়, মুর্শেদ হাসান হাসান আসিফ এবং ফয়জুর রহমান বক্তব্য দেন।
সমাবেশ শেষে অধ্যক্ষ মাসুদুল হককে ফুলের মালা পরিয়ে মিছিল করে কলেজে নিয়ে তার চেয়ারে বসিয়ে দেন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা
লেখক ও গবেষক মাসুদুল হক ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন।
