Published : 31 May 2026, 12:58 PM
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট হয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশে ফিরতে শুরু করেছেন।
এ পথে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকায় কোনো ধরনের দীর্ঘ অপেক্ষা বা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে না যাত্রীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, রোববার সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে যতগুলো ফেরি পাটুরিয়া ঘাটের দিকে ছেড়ে গেছে, সেগুলোতে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও ঘাট এলাকায় যানজট নেই।

দৌলতদিয়া প্রান্তে সাতটি ঘাটের মধ্যে তিনটি ঘাট দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রী ও যানবাহন ফেরি পারাপার হয়ে গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার এজিএম মো. সালাহউদ্দিন বলেন, “বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই ভোগান্তি। আশা করছি, স্বস্তিতে ঘরে ফেরা মানুষেরা এখন স্বস্তিতে কর্মস্থলে ফিরতে পারবেন।”
এদিকে যাত্রীদের নিরাপত্তায় বিআইডব্লিউটিসি ও নৌ-পুলিশ কাজ করছে। ফেরিতে ওঠার আগে প্রতিটি বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে খালি করা হচ্ছে। যাত্রীরা পরে হেঁটে ফেরিতে উঠছেন।

মাগুরা থেকে আসা কামরুল ইসলাম বলেন, “এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির ছিল। পথে ফেরিঘাটে কোনো ভোগান্তি ছিলে না। ঈদের আগে যেমন স্বস্তিতে বাড়ি ফিরেছি এখন ঈদ শেষে স্বস্তিতে কর্মস্থলে ফিরছি।”
সাবিলা রহমান বলেন, “পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে ফেরিঘাটে কোনো ভোগান্তি নেই। ঘাটে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ফেরিতে উঠে চলে যেতে পারছি। ভোগান্তিহীন ঘাট পেয়ে আমরা খুশি।”
কুষ্টিয়া থেকে আসা মাসুদ রানা বলেন, “পথে তেমন চাপ নেই; ফেরিঘাটেও জট নেই। আসা মাত্রই ফেরিতে উঠে চলে যাওয়া যাচ্ছে। তবে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু হলে আমাদের আরও ভালো হতো।”
যাত্রী ও যানবাহন নির্বিঘ্নে পারাপার করতে ছোট বড় মিলে ১৭টি ফেরি চলছে বলে বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার এজিএম মো. সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন।