১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ দিনের ব্যবধানে উপাচার্য পরিবর্তন

নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক সোহেল হাসান।

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Aug 2026, 08:39 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:54 PM

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ দিনের ব্যবধানে উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে। 

১৯ জুলাই উপাচার্যের দায়িত্ব পাওয়া অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাতকে সরিয়ে মঙ্গলবার অধ্যাপক মো. সোহেল হাসান দায়িত্ব দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা আলাদা দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ১৯ জুলাইয়ের প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাতকে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে নিয়োগের মাত্র ৩৭ দিনের মাথায় নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে অধ্যাপক সোহেল হাসানকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। 

তার নিয়োগের মেয়াদও চার বছর অথবা বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত যেটি আগে ঘটে নির্ধারণ করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর অধ্যাপক সোহেল হাসানকে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

দুই প্রজ্ঞাপনেই উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থানের শর্ত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনবোধে যেকোনো সময় নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

তবে মাত্র ৩৭ দিনের মাথায় উপাচার্যকে কেন পরিবর্তন করা হলো, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কোনো কারণ দেখানো হয়নি।

উপাচার্যকে পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান বলেন,  “এ বিষয়ে মন্তব্য করার এখতিয়ার আমাদের নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয় থেকে যে নির্দেশনা পায়, তা-ই বাস্তবায়ন করে। এর বাইরে মন্তব্য করার সুযোগ নেই।”