Published : 05 Jun 2025, 10:01 PM
পরিবহন সংকট, বৃষ্টি আর অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঈদযাত্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।
এই মহাসড়কের গাজীপুরের শ্রীপুরের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকা থেকে ময়মনসিংহের ভালুকার সিডস্টোর-আমতলী পর্যন্ত ময়মনসিংহ লেনে ১৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজট রয়েছে বলে যানজটে আটকে থাকা ইমাম পরিবহনের চালক হাতেম আলী জানিয়েছেন।
ঢাকা-শেরপুরের পথে চলাচলকারী এই চালক বলেন, “দিনভর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে থেমে থেমে যানবাহন চলেছে। সারাদিনে থেমে থেমে তৈরি হওয়া যানজট পর্যায়ক্রমে বড় আকার ধারণ করেছে। অন্যান্য চালকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, কথা বলছি, তারা তীব্র যানজটের মধ্যে পড়েছেন।”
শ্রীপুরের মাওনা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানা প্রতিদিনই ১২ কিলোমিটার দূরে ভবানীপুর এলাকায় গিয়ে অফিস করেন। স্বাভাবিক সময় এই ১২ কিলোমিটার পথ তিনি ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে যেতে পারেন। কিন্তু ঈদযাত্রায় আড়াই ঘণ্টায় মাত্র আট কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন।

সোহেল রানা বলেন, “প্রায় আড়াই ঘণ্টার মত গাড়িতে বসে আছি। আমার চাইতে বেশি দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন ঈদে ঘরে ফেরা নারী যাত্রী এবং বিশেষ করে শিশুরা।
“মহাসড়কের দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাইতেও মহাসড়কে চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বাস চালক ও চালকের সহকারীদের সচেতনতা জরুরি। তারা একটু আন্তরিক হলে এ ধরনের ভয়াবহ যানজট এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হত।”
মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, “ময়মনসিংহের ভালুকার সিড স্টোরে দুপুরের পর থেকে যাত্রী ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ বাড়ে। এ ছাড়া বিকালে ঈদযাত্রায় হানা দেয় বৃষ্টি। বৃষ্টির সময় অনেক বাস যাত্রী তুলতে পারেনি।
“দীর্ঘ সময় তারা মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এ কারণে মোড়ে মোড়ে যানজটের তৈরি হয়েছে। সেই যানজট এখন কয়েক কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়েছে।”
হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করছে বলে জানান ওসি আইয়ুব আলী।