গাজীপুরে ৫ খুন: একজনকে শ্বাসরোধে, চারজনকে গলা কেটে হত্যা
শনিবার সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রাম থেকে পাঁচজনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় মা ও তিন শিশুসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
ময়নাতদন্তে চারজনকে গলা কেটে এবং একজনকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা বলা হয়েছে।
শনিবার সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রাম থেকে পাঁচজনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- শারমিন আক্তার (৩০), তার তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) ও শ্যালক রসুল মিয়া (২২)।
শারমিন ও রসুলদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের পাইকান্দি উত্তর চরপাড়ায়।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মাজহারুল হক বলেন, “শারমিন খানম, তার ভাই রসুল মোল্লা এবং দুই মেয়ে মিম ও মারিয়াকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। সবচেয়ে ছোট কন্যা ফারিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “হত্যাকাণ্ডের আগে নিহতদের চেতনানাশক বা অন্য কোনো কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা, তা নিশ্চিত হতে পেটের খাবারসহ বিভিন্ন আলামতের নমুনা (ভিসেরা রিপোর্টের জন্য) সংগ্রহ করে ঢাকা সিআইডির পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। ল্যাব রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।”
পারিবারিক কলহের জেরে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।
কাপাসিয়া থানার ওসি মো. শাহীনুর আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সন্দেহভাজন ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন।
ফোরকান গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরি গোপীনাথপুর গ্রামের মো. আতিয়ার হাসান মোল্লার ছেলে।
প্রায় দেড় যুগ আগে গোপালঞ্জের গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি গ্রামের ফোরকান মোল্লার সঙ্গে বিয়ে হয় শারমিনের। তিন সন্তান নিয়ে এই দম্পতি কাপাসিয়ায় থাকতেন। ফোরকান পেশায় গাড়ির চালক।
আরও পড়ুন:
