Published : 22 Dec 2025, 06:21 PM
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গাছ চোরদের সঙ্গে বনরক্ষীদের গোলাগুলি ঘটনার ১১ দিন পর একটি দেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করেছে র্যাব।
সোমবার ভোরে উপজেলার কালেঙ্গা বনাঞ্চলের বৈরাগী টিলায় অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধারের কথা জানিয়েছে র্যাব-৯ এর সিসিপি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প।
এদিন বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ১১ ডিসেম্বর রাত আড়াইটা থেকে ৩টা পর্যন্ত কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের নিশ্চিন্তপুর পাহাড়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সেই সময় ৩৪টি গুলি ছোড়া হয়।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর কালেঙ্গা রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আমিন ১০ জনের নামসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করে চুনারুঘাট থানায় মামলা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মামলার পর ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে বৈরাগী টিলায় অভিযান চালিয়ে পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা অস্ত্র ও কার্তুজটি রেমা-কালেঙ্গা বনাঞ্চলে সংঘটিত গুলির ঘটনায় ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বন বিভাগ জানায়, ঘটনার দিন রাত আড়াইটার দিকে একদল গাছ চোর পাহাড়ে সেগুনগাছ কাটছিল। খবর পেয়ে বিট কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল-আমিনের নেতৃত্বে তিন বনরক্ষী সেখানে গেলে চোরের দল তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে বনরক্ষীরা গুলি ছোড়েন। পাল্টা গুলি ছোড়ে চোরের দলও।
কালেঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল খালেক বলেন, “ঘটনার দিন বনরক্ষীরা ১৪টি এবং গাছ চোরেরা ২০টি গুলি ছোড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে বনরক্ষীরা পিছু হটেন।
“খবর পেয়ে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে গাছ চোরেরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১২ টুকরা সেগুন, ৮ টুকরা আকাশমনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মোট ৫৭ টুকরা কাঠ জব্দ করা হয়।”