Published : 16 Feb 2025, 07:53 PM
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় স্বামীর ওপর অভিমান করে এক বালিকা নববধূ গলায় ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছে বলে দাবি পরিবারের।
রোববার আলমডাঙ্গা থানার ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, শনিবার বিকালে বাবার বাড়িতে গলায় ফাঁস দেয় ওই কিশোরী। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত মুন্নি খাতুন উপজেলার ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়নের বড়বোয়ালিয়া গ্রামের চা-দোকানি বুলবুলির মেয়ে।
স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে সপ্তাহ খানেক আগে একই উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের মোচাইনগর গ্রামের ডেকোরেশন মিস্ত্রী নাইম হাসানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় মুন্নির।
ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শনিবার মুন্নির চাচাতো দাদি মারা গেলে স্বামী নাইমকে নিয়ে দেখতে যায়। নাইমের ধূমপানের অভ্যাস থাকায় তখন সে পাশের দোকানে যেতে চাইলে মুন্নি নিষেধ করে এবং আত্মহত্যার হুমকি দেয়।”
তিনি বলেন, “কিন্তু স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে দোকানে যায় নাইম। পরে তা নিয়ে নাইমের সঙ্গে মুন্নির মনোমালিন্য হয়। পরে বিকালে সেখান থেকে বাবার বাড়ি ফিরে গলায় ফাঁস দেয় মুন্নি।“
ওসি আরও বলেন, রাতে মরদেহ উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা থানায় নেওয়া হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। দুই পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।