বিএনপি নেতা জয়নুল-নিতাই-খোকনের জামিন

উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

আদালত প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 23 Nov 2023, 01:03 PM
Updated : 23 Nov 2023, 01:03 PM

নয়াপল্টনে গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশের দিন প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় রমনা থানায় দায়ের করা নাশকতার পৃথক দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী এবং যুগ্ম মহাসচিব এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

বিচারক আছাদুজ্জামান শুনানি নিয়ে তাদেরকে বিশ হাজার টাকা মুচলেকায় ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত জামিন দেন।

মাহবুব উদ্দিন খোকন নিজেই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এই মামলায় গত ৭ নভেম্বর বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. বশির উল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ তাদেরকে আগাম তিন সপ্তাহের জামিন দেন। একই সঙ্গে তিন সপ্তাহ শেষে মহানগর দায়রা জজ আদালতে তাদেরকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, বাস ভাঙচুরের অভিযোগে ২৯ অক্টোবর রমনা মডেল থানায় কাকরাইল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মোফিজুর রহমান একটি মামলা করেন। নাশকতার অভিযোগে রমনা থানায় আরেকটি মামলা করেন সিদ্ধেশ্বরী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. সহিদুল ওসমান মাসুম।

মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস

চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, কাকরাইলে পুলিশ সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো এবং কাকরাইলে বিচারপতিদের বাসভবন জাজেস কমপ্লেক্সের ভেতরে অনধিকার প্রবেশ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বাসভবনের নামফলকসহ বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয়।

এছাড়া ভবনের সামনে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যা ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি করে।