মৃত্যুবার্ষিকীতে কোকোর কবরে বিএনপির ফুল

কোকোকে একজন ‘অসাধারণ ক্রীড়া সংগঠক’ বর্ণনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে নিজেও খেলাধলাও করতেন।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 Jan 2023, 09:00 AM
Updated : 24 Jan 2023, 09:00 AM

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার সকালে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা বনানী কবরস্থানে গিয়ে ফাতেহা পাঠের পর কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর তারা কোকোর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। 

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরাফত আলী সপু, নাজিম উদ্দিন আলম, মীর নেওয়াজ আলী, রফিক শিকদার, তাবিথ আউয়াল মহানগর দক্ষিণের নবী উল্লাহ নবী, যুবদলের মামুন হাসান, মোনায়েম মুন্না, শফিকুল ইসলাম মিল্টনসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 

পরে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, “কোকো একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হয়েও নিজে রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন না। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে তাকে যে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে, সেই মৃত্যুবরণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাই সবচেয়ে বড় কারণ হয়েছিল।” 

তিনি বলেন, “এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় ১/১১ এর ঘটনার পরে আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয় মিথ্যা মামলায়, মিথ্যা অজুহাতে, পরে তাকে নির্বাসিত করা হয়। আমরা দেখেছি, করুণ অবস্থায় তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে, বিদেশের মাটিতে ভালো চিকিৎসা না পেয়ে তাকে চলে যেতে হয়েছে।” 

কোকোকে একজন ‘অসাধারণ ক্রীড়া সংগঠক’ হিসেবে বর্ণনা করে ফখরুল বলেন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে নিজেও খেলাধুলা করতেন। 

“তিনি ক্রিকেটকে সংগঠিত করবার জন্য, প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য, মাননোন্নয়ন করবার জন্য, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাবার জন্য অবদান রেখেছেন। তিনি এদেশে একজন ক্রীড়ামোদী হিসেবে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে এদেশের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।”

২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে মারা যান কোকো। তার বয়স হয়েছিলো ৪৫ বছর। 

১/১১ সেনা সমর্থিত সরকারের আমলে জরুরি অবস্থার সময়ে গ্রেপ্তার হন কোকো। ২০০৮ সালে উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যান তিনি। সেখান থেকে যান মালয়েশিয়ায়। 

তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এবং গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। 

এছাড়া সারাদেশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর আয়োজনে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন রয়েছে। 

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক