১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগের শোভাযাত্রা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয় এবং ফুলার রোড হয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শেষ হয়।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগের শোভাযাত্রা
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শোভাযাত্রা করে ছাত্রলীগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Aug 2024, 07:02 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:35 AM

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয় এবং ফুলার রোড হয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শেষ হয়।

'তুমি দেশের, তুমি দশের' শিরোনামে এই শোভাযাত্রায় নেতাকর্মীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শোভাযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, “সামরিক স্বৈরশাসকদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে জনতার নায়কের বেশে বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনই বাংলাদেশের বিজয়ের গল্প রচনা করেছে। এই প্রত্যাবর্তনই বাংলাদেশের পরিবর্তনের সূচনা করেছে।

"এটি আমাদের শুধু রাজনৈতিক অর্জন নয়, এদেশের মানুষের যে জীবন জয়, এদেশের মানুষের যে জীবন বদলে যাওয়া, প্রত্যেকটির সঙ্গেই বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা সম্পৃক্ত। শুধু সামষ্টিক অর্জন নয়। সবার ব্যক্তিগত যে জীবন, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত বেদনা বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা বদলে দিয়েছেন "

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয়। সেদিন বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা শেখ রেহানা।

ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। এই দিনটি তারস্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসহিসেবে পালন করে আওয়ামী লীগ।

সাদ্দাম  বলেন, “বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার সাফল্যের আগে এক রকম বেদনাদায়ক বাস্তবতা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে জীবন পরিচালনা করতে  হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস, জীবনচারণ, সাংস্কৃতিক জীবন, প্রযুক্তি ব্যবহারের যে অভিগম্যতা, কর্মসংস্থানের যে সুযোগ, কোনো কিছুই আমাদের ছিল না। বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের কারণে আমাদের জীবন বদলে গেছে। কারণেই বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদের কাছে বাংলাদেশ।"

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, “প্রিয় নেত্রী, আপনি ফিরেছেন বলেই আমাদের সমুদ্র সীমা বিজয় হয়েছে, আপনি ফিরেছেন বলেই বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট ওই মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা আপনি ফিরেছেন বলে বাংলার মানুষের আরাধ্য স্বপ্ন ইলেক্ট্রনিক যানবাহনের যুগে প্রবেশের সেই চিন্তা চেতনা বাস্তবায়ন হয়েছে। আপনি ফিরেছেন বলেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের  মানুষের আজীবনের অরাধ্য স্বপ্ন পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হয়েছে।

"প্রিয় বঙ্গবন্ধু কন্যা, আপনি নিজের জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এদেশের মানুষের জন্য, আপনার পিতার রেখে যাওয়া দুঃখ পীড়িত মানুষের জন্য যে কাজ করেছেন, সেই কাজের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমরা তরুণ সমাজ আজকে শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে একত্রিত হয়েছি।"

শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকলকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে আহ্বান জানান ইনান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, ঢাকা উত্তর মহানগর ছাত্রলীগ এবং দক্ষিণ মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শোভাযাত্রায়  অংশ নেয়।