প্রার্থীর বাড়ি গিয়ে সহানুভূতি জানানো বিদেশিদের কাজ নয়: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা ‘শিষ্টাচার মানছেন না’ বলে অভিযোগ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 31 Jan 2020, 06:41 PM
Updated : 31 Jan 2020, 06:41 PM

ভোটের আগের দিন শুক্রবার চট্টগ্রামেরহাটহাজারীতে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইডেন ইংলিশ স্কুলের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানেএসে এই সমালোচনা করেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচননিয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা যেভাবে বিভিন্ন প্রার্থীর বাড়িতে গেছে সেটা কোনোভাবেই সমীচীনহয়নি।

“কোনো প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে তাকে সহানুভূতিজানানো বিদেশি কূটনীতিবিদদের কাজ নয়।”

নির্বাচন নিয়ে এভাবে কথা বলা কূটনৈতিকশিষ্টাচারের লংঘন বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সম্পাদক।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারনির্বাচন নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা কথা বললেও পার্শ্ববর্তী ভারত কিংবা অন্যান্য দেশেতারা সেভাবে কথা বলে না।”

গত ২৬ জানুয়ারি ঢাকার গোপীবাগে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থিত দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের পর বিএনপি প্রার্থী ইশরাকহোসেনের বাসায় গিয়ে তার সাথে দেখা করেন যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন।

দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের‘আগ্রহ বেশি’ মন্তব্য করে হাছান মাহমুদ বলেন, “এটির জন্য অবশ্যই আমাদের কেউ কেউ দায়ী।আপনারা জানেন, কিছু হলেই বিএনপি বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদদের ডেকে নালিশ করতেন।

“তারা (বিএনপি) নালিশ করবে দেশের জনগণও ভোটারদের কাছে। কিন্তু তারা নালিশ করে বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বিদেশি পর্যবেক্ষকরানির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন, কিন্তু এখানে তো কোনো বিদেশি পর্যবেক্ষক আসেনি। 

“স্থানীয়ভাবে যারা কূটনীতির কাজ করতেএসেছেন তাদের পর্যবেক্ষণ কার্ড দেওয়া হয়েছে। আবার তাদের মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশিকেও একার্ড দেওয়া হয়েছে।”

এদের কার্ড দেওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনেরব্যাখ্যা ‘গ্রহণযোগ্য নয়’ এবং বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ‘আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন’ছিল বলেও মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক